আগ্রা: করোনা সংক্রমণ দ্রুতগতিতে বাড়ছে, তাই সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সতর্কতা জারি করল আগ্রা প্রশাসন। নিয়মের কঠোরতা বজায় রাখতে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং না মানলে আবারও লকডাউন করা হবে বলেও সরাসরি জানানো হয়েছে।

আগ্রা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের নিয়ম না মানা হলে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণযুক্ত এলাকাগুলিতে সোমবার থেকে আবার ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হবে।

ডিসট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, দোকানদার থেকে সাধারণ মানুষ সকলকে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের নিয়ম ভাঙতে লক্ষ্য করা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মাস্ক না পরতেও দেখা গিয়েছে। এই অভ্যাস চলতে থাকলে মানতোলা এবং কোতইয়ালি অঞ্চলে ফের সোমবার থেকে লকডাউন করা হবে।

শহরের বড়বড় বাজারগুলি ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পাঁচজন সোনার ব্যবসায়ী এবং তিনজন পোশাক বিক্রেতা করোনা পজিটিভ হলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।

প্রসঙ্গত, আগ্রায় ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে নজর দিয়ে নির্ধারিত দিনে খোলা হয়নি তাজমহল-সহ আগ্রার বাকি স্মৃতিসৌধগুলি। আনলকের দ্বিতীয়ধাপে দেশকে আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো হবে। খুলে দেওয়া হবে তাজমহল-সহ আগ্রার অন্যান্য স্মৃতিসৌধগুলি। চাঙ্গা করা হবে দেশের পর্যটন শিল্পগুলিকে। কিন্তু যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তা দেখে রীতিমতো উদ্বেগে চিকিৎসকরা।

আনলকের দ্বিতীয় পর্বে যেন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে রোজই নয়া রেকর্ড গড়ছে দেশ। এমতাবস্থায় জনসাধারণের প্রাণের ঝুঁকি নিতে নারাজ যোগী সরকার।

বিশ্বে আক্রান্তের পরিসংখ্যানের নিরিখে রাশিয়াকে ছাপিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ভারত। ইতিমধ্যেই সংক্রমণ রোধে তাজমহলের পার্শ্ববর্তী কন্টেনমেন্ট জোন, সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেই স্থানে লকডাউনের কড়া নিয়ম পালন করা হচ্ছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া এলাকাগুলিতে প্রায় সবই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ