নয়াদিল্লি: মাত্র এক উইকেটের জন্য ছোঁয়া হয়নি রঞ্জির সর্বকালীন রেকর্ডটা। কিন্তু তাতে কী? ৬৭ উইকেট নিয়ে পেসার হিসেবে রঞ্জির এক মরশুমে সর্বাধিক উইকেট নেওয়ার নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। বল হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে সদ্য শেষ হওয়া মরশুমে সৌরাষ্ট্রকে প্রথমবারের জন্য করেছেন ভারত সেরা। এহেন জয়দেব উনাদকাটকে ঘিরে রীতিমতো আশাবাদী সতীর্থ চেতেশ্বর পূজারা।

ঘরোয়া ক্রিকেটের সতীর্থকে এবার জাতীয় দলে দেখতে না পেলে আশ্চর্য হবেন তিনি। সাফ জানালেন পূজারা। উনাদকাটের ভূয়সী প্রশংসা করে পূজারা বলেন, ‘জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কথা ওর মাথাতেও ছিল না কিন্তু আমি আশ্চর্য হব এরপরেও ওর জন্য জাতীয় দলের দরজা যদি না খোলে।’ সৌরাষ্ট্র অধিনায়ককে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে পূজারা আরও বলেন, ‘গোটা মরশুম ধরে ও ব্যতিক্রমী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। একটি মরশুমে কেউ যদি ৬৭টা উইকেট নিতে পারে তবে তাঁকে ছাপিয়ে আর কেই বা পারফর্ম করতে পারে।’

একইসঙ্গে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার কারণ হিসেবে রঞ্জি ট্রফির পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করার দাবি জানিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের মিডল অর্ডারের অন্যতম স্তম্ভ। সৌরাষ্ট্রকে চ্যাম্পিয়ন করার পর উনাদকাট নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে জানিয়েছিলেন, জাতীয় দলে কামব্যাকের প্রশ্নে আমি এখনও সমান ক্ষুধার্ত। আর এই তাগিদটাই মরশুম জুড়ে আমায় পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে। উল্লেখ্য, সেমিফাইনালে গুজরাতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার পর তাঁর উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল সেই কথা।

জাতীয় দলের হয়ে ২০১৮ শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ (টি-২০) খেলেছিলেন বাঁ-হাতি এই ফাস্ট বোলার। ২০১০ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়া উনাদকাট কেরিয়ারে খেলেছেন একটিই মাত্র টেস্ট ম্যাচ। এছাড়া জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ৭টি ওয়ান-ডে ম্যাচ খেলেছেন সৌরাষ্ট্রের বর্তমান অধিনায়ক। অভিষেকের ১০ বছর পর এসে রঞ্জিতে এমন একটা পারফরম্যান্স ফের তাঁর জন্য জাতীয় দলের দরজা খুলে দিতে পারে কীনা, এখন সেটাই দেখার।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা