শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে চর্চিত নাম দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি এই রাজ্যে বিজেপি-র (BJP) দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ বিজেপি রাজ্যে এই বিপুল পরিমাণ শক্তি অর্জন করতে পেরেছে। তিনি নিজে বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) ও লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি সত্যিকারের নেতা।


২০০৭ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী হিসাবে আন্দামানে কাজ করেন দিলীপ ঘোষ। ২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন ও জ্ঞান সিং সোহনপালকে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন প্রথমবার । ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন দিলীপ ঘোষ। আজ দিলীপ ঘোষ রাজ্যের ভাবি মুখ্যমন্ত্রী (CM) , এই চর্চাও চলছে।

দিলীপ ঘোষ নিজেই জানিয়েছেন, দল তাঁকে যে কেন্দ্রে প্রার্থী করবে তিনি সেই কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন । এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ওজনদার প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কথায় বার বার ধরা পড়ছে বিজেপি-র এই রাজ্যে বিজেপি-র ক্ষমতায় আসা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

তবে অল্পদিন সংসদীয় রাজনীতিতে এসে দিলীপ ঘোষ নিজেকে অনেকটাই তুলে ধরতে পেরেছেন। তাঁর কথা বলার মধ্যে বিরোধীদের গুরুত্ব না দেওয়ার একটা সুর বরাবরই ধরা পরে। আর এটাই বোধ হয় দিলীপ ঘোষের ইউএসপি। আবার বিতর্কিত মন্তব্য করেও দিলীপ ঘোষ আলোচনার শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। দিলীপ ঘোষ বলেছেন গরুর দুধে সোনা পাওয়া যায়। জ্বালানির দাম বাড়ার প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, দু-পাঁচ পয়সা জ্বালানির দাম বাড়লে মানুষের তেমন অসুবিধা হয় না।

এই দিলীপ ঘোষ এবারও বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী। মানুষের দরবারে তাঁকে ভোট চাইতে যেতে হবে। তিনি সেখানে গিয়ে কী বলবেন? এই নিয়ে বিরোধীরা নানান টিপ্পনি কাটছেন। কেউ কেউ বলছেন, বিজেপির সভায় নেতারা জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি করা নিয়ে কোনও কথা বলছেন না। বিজেপি বলছে না নরেন্দ্র মোদীর বছরে ২ কোটি চাকরি দেওয়ার কী হলো?

তবে বিজেপি তথা দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, “রাজ্যের মানুষ মন তৈরী করে ফেলেছেন, তৃণমূল সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করবেন। তাই বিজেপির রাজ্যে ক্ষমতায় আসা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

তবে কেন্দ্রের বিভিন্ন কাজকর্মে সাধারণ মানুষ যেমন ক্ষুব্ধ তেমনই রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কাজকর্মে সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ । তাই রাজ্যের মানুষ শেষ পর্যন্ত কাকে পছন্দ করে নেয় সেটাই দেখার ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।