আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক তারকা প্রার্থী দিতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। তালিকায় উঠে আসছে, রাজ চক্রবর্তী, সুদেষ্ণা রায়, রণিতা দাস-দের মত জনপ্রিয় কিছু তারকার নাম।টেলিভিশনের ‘বাহা’ বলে পরিচিত রনিতা দাস। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানলপের সভায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

ওই দিনই তৃণমূলে যোগ দেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, সাওনী ঘোষ,অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক, শিক্ষাবিদ্ অনন্যা চক্রবর্তী, ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি।তার কিছুদিন আগেই,তৃণমূল কগ্রেসে যোগ দিয়েছেন অভিনেত বনির বিশেষ বান্ধবী কৌশানি মুখোপাধ্যায় ও বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত।

অন্যদিকে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছে টলিউডের প্রথম সারির এক ঝাঁক অভিনেতা যশ, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় পায়েল সরকার পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ,সোহেল দত্ত। দুই শিবিরে অভিনেতাদের নেতা বানানোর এই ম্যাচে সব সময়ই নিজেদের স্কোর মোটামুটি সেম রাখার চেষ্টা করছেন।

গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে বেহালা পশ্চিমে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়,সোনারপুর দক্ষিণ থেকে হিরণ চট্টোপাধ্যায়, কসবায় রিমঝিম মিত্র, টালিগঞ্জে অঞ্জনা বসুদের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হতে পারে। উত্তর কলকাতার বেশ কয়েকটি আসনে যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার প্রার্থী হতে পারেন।

অন্যদিকে আরেকটি জল্পনাও তৈরি হয়েছে একটি ছবি ঘিরে।অভিনেতা সোহেল দত্তর সঙ্গে বনি সেনগুপ্তের ছবি। সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সোহেল। তাহলে কি এবার পর এবার বনিও পদ্ম শিবিরে! শুধু তাই নয়, সদ্য তৃণমূল কগ্রেসে যোগ দেওয়া বনির বিশেষ বান্ধবী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ও গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে খবর।

তবে বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত মাধ্যমকে জানিয়েছেন বনি এবং সোহেল ছোটবেলার বন্ধু এবং তাদের সম্পর্ক পারিবারিক। এছাড়া তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন বনি যদি বিজেপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন সে খবর তার কাছে এখন অব্দি পৌঁছয়নি। কৌশানির বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গে পিয়া সেনগুপ্ত বলেছেন কৌশানি তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন স্বইচ্ছায় এরপর তিনি বিজেপিতে যাবেন এ জল্পনা ভিত্তিহীন। তবে মুখ মুখোশ রং-এ এবারের রাজনৈতিক অঙ্গন যেন রঙ্গ মঞ্চ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।