ব্রাজিল: বিয়ের অনেক রকম অদ্ভুত রীতি অনেক জায়গাতেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক রীতি আছে যা সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না। আফ্রিকার দেশগুলোতে যেসব উপাজাতিরা রয়েছে তাদের জীবনযাপন যেমন আলাদা তেমন তাদের সামাজিক রীতিগুলিও অদ্ভুত। তেমনই এক উৎসব বউ চুরি। এতে নেই কোনো শাস্তি বা অপরাধীর তকমা।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের যাযাবর পশুপালক উপজাতি ওডাআবে এই রীতি মেনে আসছে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে তাদের এই উৎসব হয় নানা মরুদ্যানে। টানা সাতদিন ধরে অন্যের বউকে চুরি করে পুরুষরা। সামিল হয় সেইসব পুরুষর স্ত্রীরাও। পাশাপাশি চলে খাওয়া-দাওয়া ও নাচ গান। তবে উৎসবের দিনক্ষণ ও স্থান আগে থেকে ঠিক করা থাকে না। উৎসবের কিছুদিন আগে তা ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় ভাষায় এর নাম “গেরেওল”। উৎসবে নিজেদের পছন্দমতো পুরুষ সঙ্গী বাছাই করে নেন মহিলারা।

আমাদের সমাজে একাধিক বিয়ে বা বিয়ের পর সম্পর্ক যতটা অপমানজনক ও অনৈতিক, সেখানকার মেয়েদের কাছে এটা ততটাই পবিত্র। মেয়েরা বিয়ের আগে যে কোনো পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে পারে। আবার বিয়ের পরেও তাদের থাকতে পারে একাধিক স্বামী। তাদের সমাজে এই রীতি সর্বজন স্বীকৃত। বউ চুরি করাটা তাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা।

আরো পড়ুন- অদ্ভুত নিয়ম এখানে, পুরুষরা যায় শ্বশুরবাড়ি!

প্রতিযোগিতা শুরুর আগে পুরুষেরা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে সাজগোজ করে লাল মাটি, লিপস্টিক, আইলাইনার দিয়ে। মাথার চুলে বিনুনি করে তার শোভা বাড়াতে পুঁতি ও কড়ি গাঁথা হয় তাতে। পরস্ত্রীর নজর কাড়া মূল লক্ষ্য। বিচারকের ভূমিকা পালন করে উপজাতির সেরা তিন বিবাহিতা সুন্দরী। নিজেদের শারীরিকভাবে যোগ্য প্রমাণ করাটাই পুরুষদের উদ্দেশ্য থাকে। তাই তারা নৃত্যের সময় নানা অঙ্গভঙ্গি করে ও ইচ্ছে করে তাদের দাঁত বের করে রাখে তাদের অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও আগ্রাসী দেখানোর জন্যে। প্রতিযোগিতা চলাকালীন নৃত্যরত ওডআবে পুরুষেরা তাদের চারপাশে ভিড় করে থাকা নারীদের দিকে যেসব ইঙ্গিত করে তাতে যেসব মহিলারা সাড়া দেয় তা মনে পুরুষেরা। ভিড়ের সুযোগ নিয়ে পছন্দ করা পরস্ত্রীর কাঁধে টোকা মারে পুরুষ। সেই ডাকে বিবাহিত মেয়েটি সাড়া দেয়। শেষে তারা মেলায় হারিয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।