ফাইল ছবি

নয়াদিল্লিঃ   বিকৃত যৌনতা। স্বামীকে নৃশংস ভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল স্ত্রীয়ের বিরুদ্ধে। স্বামীর হাতে প্রচন্ড ভাবে নিগৃহীত হয়েই এই কাণ্ড তিনি ঘটিয়েছেন, এমনটাই জানিয়েছেন ওই মহিলা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম ই সুন্দর ওরফে সুধীর। নিহত ব্যাক্তির বয়স ৩৪। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। একটি বেসরকারি সংস্থাতে কর্মরত ছিলেন। বাড়ি তিরুমঙ্গলমে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট বছর আগে বিয়ে হয় সুধীরের। পেশায় সরকারি স্কুল শিক্ষিকা এস আরিভুলসেলভমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ আট বছরের মাঝে মধ্যেই সমস্যা লেগেই থাকত। তাঁদের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। গত শুক্রবার হঠাত করেই স্বামীকে সুধীরকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যান স্ত্রী আরিভুলসেলভম।

চিকিৎসকদের তিনি জানান, তাঁর স্বামী বিছানা থেকে পড়ে অচৈতন্য হয়ে যান। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে সুধীরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ডাক্তাররা সুধীরকে আরিভুলসেলভমের কথা বিশ্বাস করলেও একটা খটকা লাগে তাঁদের। ডাক্তারা দেখেন, নিহতের গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি জানানো হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে। ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরে নিজে থেকে তদন্ত শুরু করে।

জেরার জন্য আরুভিলসেলভমকে ডেকে পাঠায় পুলিশ। সেখানে তিনি স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পুলিশের দাবি, জেরায় ওই মহিলা জানিয়েছেন, তিনি দুই আত্মীয়র সঙ্গে স্বামীকে মেরে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, পুলিশকে আরও বিস্ফোরক বয়ান দিয়েছেন ওই মহিলা।

তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ,স্বামী মদ্যপ ছিল। প্রতিনিয়ত বিকৃত যৌনতায় জোর করত। মহিলার দাবি, বিকৃত যৌনতায় রাজি না হলে সুদীপ তাঁকে মারধর করত। বৃহস্পতিবার সুদীপের দুধে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেয় আরুভিলসেলভম। এরপর দুই আত্মীয় বালামণি ও সুমাইয়ারকে ডেকে পাঠান তিনি।

তিনজন সুধীরের মাথা প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে বেঁধে দেয়। ঘুমের মধ্যে শ্বাস আটকে মারা যান সুধীর। শুধু তাই নয়, পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে যে, সুধীরের গোপনাঙ্গে ভয়ঙ্কর আঘাতও করা হয়। ভয়ঙ্কর এই ঘটনায় স্তম্বিত দেশ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও