মালদহ: সংরক্ষিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরা থেকে গায়ে সোনার অলঙ্কার ভরতি মহিলা যাত্রীকে অপহরণ। ঘটনাটি ঘটেছে ডাউন ব্রহ্মপুত্র মেলে।

এদিন ভোরে বারাহারোয়া স্টেশন পার হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হয় মহিলা। ট্রেনের মধ্যে খোঁজাখুঁজি শুরু করে মহিলার স্বামী। না পেয়ে জামালপুর স্টেশনে নেমে পড়েন।

সেখানে রেল পুলিশের পক্ষ থেকে কোন সাহায্য না মেলায় ফিরে আসে মালদহ টাউন স্টেশনে। রাতে মালদহ টাউন স্টেশনের জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করে মহিলার স্বামী।

সোমবার রাত ৮ নাগাদ ধূপগুড়ি স্টেশন থেকে রাজু রায় বর্মণ তার স্ত্রী নীলিমা রায় বর্মণ শ্যালক বিশ্বজিৎ রায় ও পাঁচ বছরের ছেলে মায়াঙ্ক রায় বর্মণকে নিয়ে দিল্লিগামী ব্রহ্মপুত্র মেলে ওঠেন। তাদের বাড়ি কোচবিহার জেলার দিনহাটা ব্লকের ঝুড়িপাড়া। কিন্তু বর্তমানে থাকে হরিয়ানার বাহাদুরগড়।

সেখানেই যাওয়ার উদ্দেশ্য ট্রেনে ওঠে। এসি এ ১ কামরায় তাদের টিকিট ছিল। মঙ্গলবার ভোর নাগাদ ট্রেনটি বারাহারোয়া স্টেশন ছাড়ার পর ওই মহিলা শৌচাগার যায়। তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় মহিলা।

মহিলা তার ফোন ব্যাগের মধ্যে ফেলে যায়। ট্রেনের টিটি ও পুলিশকে বিষয়টি জানায়। তারপর খোঁজ না মেলায় জামালপুর স্টেশনে নেমে পড়ে। সেখানে রেল পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু কোন সাহায্য না পেয়ে ফিরে আসে মালদহ টাউন স্টেশনে। গভীর রাতে মালদহ জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

নিখোঁজ মহিলার স্বামীর অভিযোগ, তার স্ত্রীর গলায় হাতে কানে সোনার অলঙ্কার ছিল। সেগুলি ছিনতাই করতে কেউ বা কারা অপহরণ করেছে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে মালদহ জিআরপি থানার পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই ফের রেলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।