নয়াদিল্লি: দেশের ঝড়ের গতিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। তা নিয়ে দেশের কেন্দ্রীয় সরকারকে বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার সরাসরি আক্রমণ করলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম। তিনি বলেন, করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও রাজনীতি করছে মোদী সরকার।

তিনি অভিযোগ করেছেন ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও এক দেশ এক দাম নীতি নেওয়া হোক। মোদী সরকার প্রথম থেকেই এক দেশ এক বাজার করতে চাইছে তাহলে ভ্যাকসিনের দামের ক্ষেত্রেও সেটা প্রয়োগ করা হোক। কেন্দ্রকে কম টাকায় ভ্যাকসিন দিয়ে রাজ্যগুলির উপর দামের বোঝা কেন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভ্যাকসিন বণ্টনেও মোদী সরকার পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন চিদাম্বরম।ভ্যাকসিন নির্মাতারা মুনাফা অর্জন করুক। তাতে সমস্যা নেই। তবে কেন্দ্র তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রস্তুত সংস্থা তাদের উৎপাদনের ৫০ শতাংশ ভারত সরকারের সেন্ট্রাল ড্রাগস ল্যাবরেটরিকে সরবরাহ করবে। বাকি ভ্যাকসিন রাজ্য সরকার এবং মুক্ত বাজারকে সরবরাহ করতে বিনামূল্যে হবে।তবে তাদের ১ মে এর আগে রাজ্য এবং উন্মুক্ত বাজারের কি দাম ধার্য হবে তা ঘোষণা করতে হবে।

করোনা সংক্রমণের দাপট কমাতে ১৮ বছর থেকেই টিকাকরণে অনুমতি দিয়েছে মোদী সরকার। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের কেন বিনামূল্যে করোনা টিকা দেওয়া হবে না তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাহুল গান্ধী।পিএম কেয়ারের আওতায় নেওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে তা নিয়ে টুইট করেছেন রণদীপ সুরজেওয়ালা।

১ মে থেকে ১৮ বছর হলেই করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। সোমবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।টিকা উৎপাদক সংস্থাগুলির প্রতি টিকা উৎপাদন বাড়ানোর আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিন জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টিকা নেওয়ার উপর জোর দেন। বলেন দেশের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার অনুরোধ করেন।দেশের যুবকদের এগিয়ে আসতে বলেন। নিজের পাড়ায় ছোট ছোট কমিউনিটি তৈরী করে করোনা সতর্কতার প্রচার করারও অনুরোধ করেন।তারফলে মানুষ সতর্ক হবে এবং লকডাউনের কোনো প্রয়োজন পরবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.