২১ জুলাইয়ের সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ছবি: মিতুল দাস৷

বিশ্বজিৎ ঘোষ

বিশ্বাসযোগ্যতা-ই অন্যতম ভিত্তি৷ বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে রাজনীতি করার অধিকার নেই৷ ২১ জুলাইয়ের সভায় এমনই বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অথচ, ওই সভায়-ই কংগ্রেস এবং সিপিএমের বিধায়ক সহ অন্য যে সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে, তাঁরা কীভাবে বিশ্বাসযোগ্য হলেন? কাজেই, গণতন্ত্রের সুরক্ষায় সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই প্রশ্ন কি করা যায় না যে, এই বিষয়টি কি দ্বিচারিতা হয়ে গেল না?

কোন রাজনৈতিক দলের কোন নেতা অথবা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কখন অন্য কোন দলে যোগদান করবেন, সেই বিষয়টি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নেতা-জনপ্রতিনিধির গণতান্ত্রিক অধিকার৷ এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নেতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও সেভাবে সাধারণত প্রশ্ন ওঠে না৷ কেননা, এমন হতে পারে, সংশ্লিষ্ট নেতা কোনও না কোনও কারণে তাঁর দলের নীতি-আদর্শের প্রতি বিশ্বাস হারাতে পারেন৷ অথবা, অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের নীতি-আদর্শের প্রতি তাঁর বিশ্বাস আরও পোক্ত হতে পারে৷ কিংবা, অন্য কোনও দলে যোগদানের কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট নেতার ব্যক্তিস্বার্থ-ও থাকতে পারে৷

আরও পড়ুন: প্রথার নামে প্রকাশ্যে গণধর্ষণ যেখানে এখন এক খেলা!

কিন্তু, কোনও একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনও নির্বাচনে জয়লাভের পরে যদি কোনও জনপ্রতিনিধি অন্য কোনও দলে যোগদান করেন এবং নির্বাচিত ওই জনপ্রতিনিধির পদ থেকে সঙ্গে সঙ্গে-ই ইস্তফা না দেন, তা হলে অবশ্যই নির্বাচিত ওই জনপ্রতিনিধির বিশ্বাসযোগাত্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠা উচিত৷ বরং, এ ক্ষেত্রে এমনই কি বলা উচিত নয় যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পদ থেকে ইস্তফা না দিয়ে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া সংশ্লিষ্ট নেতা কোনও মতেই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারেন না?

আরও পড়ুন: এলিয়েনের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবে লুপ্তপ্রায় মানুষ!

কারণ, এমন তো নয় যে, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের কোনও পদ হোক অথবা পুরসভা, বিধানসভা কিংবা লোকসভা নির্বাচনের কোনও কেন্দ্রে যাঁরা প্রার্থী হলেন, তাঁদের মধ্য একজন দলমত নির্বিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের সমর্থনে নির্বাচিত হলেন৷ এবং, এ ক্ষেত্রে যেহেতু কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনও প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পাননি, সেই জন্য নির্বাচিত হওয়ার পরে তিনি কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দিলেন৷ কারণ, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়েছেন৷ তাই, নাগরিকদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন৷ কিন্তু, বিষয়টি তো এমন হয় না৷

আরও পড়ুন: হাসপাতালে বেড না পেলে পৌঁছে যেতে হবে কালীঘাটে!

কেননা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের কোনও পদ হোক অথবা পুরসভা, বিধানসভা কিংবা লোকসভার কোনও কেন্দ্রের নির্বাচনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তাঁদের অধিকাংশই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী৷ এবং, নাগরিকরাও সাধারণত শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবে নয়, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবেই কাউকে না কাউকে নির্বাচিত করেন৷ স্বাভাবিক ভাবেই, কোনও একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচিত হন কোনও জনপ্রতিনিধি৷ যে কারণে, যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে সব থেকে বেশি নাগরিক সমর্থন করলেন, তিনি কেন নির্বাচিত সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির পদ থেকে ইস্তফা না দিয়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগদান করবেন? কিন্তু, কেন তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে?

আরও পড়ুন: ভালো বাসা-র তুলনায় ইলিশ যে বেশি ভালোবাসার!

কারণ, যে নাগরিকদের সমর্থনে তিনি যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে যে কেন্দ্র থেকে অথবা পদে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই নাগরিকরা তো তাঁকে নয়, তাঁর দলকেই সমর্থন করেছেন৷ তা হলে, ইস্তফা না দিয়ে অন্য দলে যোগ দেওয়ার জন্য কীভাবে বিশ্বাসযোগ্য থাকলেন তিনি? বরং, বলা ভালো, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পদে ইস্তফা না দিয়ে অন্য দলে যোগদান করে তিনি তো খোদ ওই নাগরিকদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন, যাঁরা তাঁকে ভোট দিয়েছিলেন৷ তার উপর, এ ভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পদ থেকে ইস্তফা না দিয়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগদান করে তিনি তো খোদ গণতন্ত্রের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করলেন৷

আরও পড়ুন: ‘বৈপ্লবিক উন্নয়নে’র পিজি-তেও ভরসা নেই সরকারের!

তা হলে, কেন এমন হবে না যে, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের কোনও পদ হোক অথবা পুরসভা, বিধানসভা কিংবা লোকসভা এমনকী রাজ্যসভারও নির্বাচিত কোনও জনপ্রতিনিধি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর ওই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পদ বাতিল হয়ে যাবে? কিন্তু, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও রাজনৈতিক দলকেই উদ্যোগী হতে দেখা যাচ্ছে না৷ ২১ জুলাইয়ের সভায় বিষ্ণুপুরের কংগ্রেস বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য এবং গাজোলের সিপিএম বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন৷ অন্যদিকে, ওই সভায় কালিয়াগঞ্জ পুরসভার সাত জন কংগ্রেস কাউন্সিলরও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: পূর্ব ভারতের বিরল নজিরে রক্ষা পেল কিশোরীর প্রাণ

ওই সাত জন কাউন্সিলরের কারণে কালিয়াগঞ্জ পুরসভা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে! ২১ জুলাইয়ের সভায় পুরুলিয়া, উত্তর দিনাজপুর এবং খড়্গপুর পুরসভার অন্য ১৪ জন কাউন্সিলরও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন৷ নির্বাচিত এই সব জনপ্রতিনিধি অন্য কোনও দলে যোগ দিতেই পারেন৷ কিন্তু, গণতন্ত্রের সুরক্ষা তথা ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না করার জন্য, অন্য দলে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যাতে নির্বাচিত কোনও জনপ্রতিনিধির পদ বাতিল হয়ে যায়, তার জন্য আইনসভার সদস্যদের কেন সেভাবে উদ্যোগী হতে দেখা যাচ্ছে না? কোনও না কোনও ক্ষেত্রে কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলকে এমন সুযোগ নিতে হয় এবং হতে পারে বলেই কি এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলির তরফে সেভাবে উদ্যোগী হতে দেখা যাচ্ছে না?

আরও পড়ুন: সন্তানের পরিচয় জানাতে প্রথমেই আসুক মায়ের নাম!

যদিও, এই বিষয়টি অস্বীকারের নয় যে, কোনও নাগরিকের যদি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকে তা হলে সেই নাগরিক সামাজিক এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার অধিকার থেকেও বঞ্চিত হন৷ তবে, ভারতের একজন ক্ষমতাহীন নাগরিকও যে ভোটদানের মাধ্যমে তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই বিষয়টিও অত্যন্ত গর্বের৷ কিন্তু, অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে-ই নির্বাচিত কোনও জনপ্রতিনিধির পদ বাতিল না হওয়ার মাধ্যমে কি নাগরিকদের অধিকার খর্ব করার প্রচেষ্টা জারি থাকবে? এ ভাবে গণতন্ত্র এবং ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলতে থাকবে? যে কারণে, ২১ জুলাইয়ের সভায় যে দুই বিধায়ক এবং কাউন্সিলররা শাসকদলে যোগ দিলেন, তাঁদের মধ্যে কোন বিশ্বাসযোগাত্য খুঁজে পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান, এটাই কি বিশ্বাসযোগ্যতার মাপকাঠি?

আরও পড়ুন: সারদাকাণ্ডে এক সাংবাদিকের আত্মহত্যা এবং মিডিয়া

অন্যদিকে, দলত্যাগী ওই সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির অধিকাংশের এমনই বক্তব্য যে, বিরোধী দলে থেকে সেভাবে উন্নয়নের কাজকর্ম করা সম্ভব নয়৷ তাই, তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁরা যোগ দিয়েছেন৷ অথচ, গণতন্ত্রে এই বিষয়টিও বাঞ্ছনীয় নয়৷ বিরোধী দলের কোনও জনপ্রতিনিধির অঞ্চল সরকারি উন্নয়নের প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত থাকবে, সেটাও কাম্য নয়৷ ২১ জুলাইয়ের সভায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া ওই সব জনপ্রতিনিধির বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, শাসকদলের জনপ্রতিনিধি না হওয়ার জন্য তাঁদের অঞ্চলে সেভাবে উন্নয়ন করা সম্ভব নয়৷ অর্থাৎ, এ ভাবেও গণতন্ত্র তথা ওই সব অঞ্চলের নাগরিকদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে শাসকদল? তবে, ওই সব জনপ্রতিনিধির ওই ধরনের বক্তব্য যদি সঠিক না হয়, তা হলে, এই বিষয়টিও কি অস্বীকারের যে, ব্যক্তিস্বার্থের কারণেই তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন?

আরও পড়ুন: ৪.৫ কোটি ভুক্তভোগীতেও চাপা পড়ে যাবে সারদাকাণ্ড!

২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তুষারকান্তি ভট্টাচার্য৷ ওই কেন্দ্রে তিনি পরাজিত করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে৷ আর, ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে গাজোল কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী দীপালি বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুশীলচন্দ্র রায়৷ যদিও, পশ্চিমবঙ্গের এই বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বামেদের মধ্যে জোটের কথা বলা হলেও, বিভিন্ন মহলে ধন্দ-ও কম ছিল না৷ তবে, যুক্তি-তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে, কংগ্রেস এবং বামেদের মধ্যে জোট হওয়ার কারণে বিষ্ণুপুর এবং মালদহের গাজোলে জয়লাভ করেছেন ওই কংগ্রেস এবং সিপিএম প্রার্থী৷ যদিও, এই নির্বাচনে মালদহের কোনও কেন্দ্রেই জয়লাভ করেননি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী৷ অন্যদিকে, বিষ্ণুপুর এবং গাজোলের যে সব ভোটারের সমর্থনে তুষারকান্তি ভট্টাচার্য এবং দীপালি বিশ্বাস বিধায়ক হয়েছেন, সেই ভোটাররা তো তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের সমর্থন করেননি, তা হলে, এই দুই বিধায়ক কেন এখন তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে যাবেন?

আরও পড়ুন: ন্যাপকিন ব্যবহার করেন না যৌনপল্লির ১৬% বাসিন্দা

পশ্চিমবঙ্গে ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়কের মধ্যে কেউ যাতে দলত্যাগ না করেন, তার জন্য স্ট্যাম্প পেপারে মুচলেকা নিয়েছিল প্রদেশ কংগ্রেস৷ এমনও বলা হয়েছিল যে, ওই ৪৪ জন দলবিরোধী কোনও কাজ করলে তাঁদের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে৷ প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে এমন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনের পরে কংগ্রেসের বিধায়করা শিবির বদল করলেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বিধানসভার অধ্যক্ষ৷ যে কারণে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে৷ আর তাই, ওই মুচলেকায় ৪৪ জন বিধায়ককে এমন অঙ্গীকার করানো হয়েছে যে, তাঁরা কেউ দলত্যাগ করবেন না৷ অথচ, ওই ৪৪ জনের-ই একজন যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে৷ যদিও, দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তুষারকান্তি ভট্টাচার্য এবং দীপালি বিশ্বাসের সদস্যপদ খারিজের জন্য কংগ্রেস এবং সিপিএম দাবি জানাবে বলে জানা গিয়েছে৷ কিন্তু, এ ভাবে আর কত দিন?

আরও পড়ুন: মুমূর্ষুর প্রাণরক্ষায় ক্যাসুয়ালটি ব্লক চাইছেন ডাক্তাররা

তবে, বিষয়টি শুধুমাত্র ২১ জুলাইয়ের সভায় বিরোধী দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের নয়৷ এই ধরনের ঘটনা আগেও দেখা গিয়েছে৷ পরিস্থিতির বদল না হলে, আগামী দিনে যে কোনও রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই এই ধরনের ঘটনা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে৷ যে কারণে, বিষয়টি এই যে, দলত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই কেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পদ বাতিল হয়ে যাবে না? এই বিষয়ে যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলিকে সেভাবে উদ্যোগী হতে দেখা যাচ্ছে না, সেই কারণে, শেষ পর্যন্ত কি সচেতন নাগরিকদের তরফে আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে? না কি, এ ভাবে রাজনীতিতে বিশ্বাসযোগ্যতার নামে গণতন্ত্র তথা ভোটারদের সঙ্গে চলতে থাকবে বিশ্বাসঘাতকতা?

__________________________________________________________________

আরও পড়ুন:
(০১) ভালোবাসার অধিকার প্রাপ্তির জন্য আর্জি প্রধানমন্ত্রীকে
(০২) দলবদলের সঙ্গেই বাতিল করতে হবে জনপ্রতিনিধি-পদ
(০৩) কলকাতায় এ বার উবের ক্যাব চালাবেন যৌনকর্মীরা
(০৪) ‘সারদার সত্যকে ধামাচাপা দিয়েছে মমতার সরকার’
(০৫) ‘চিকিৎসায় উন্নয়নের নামে ভাঁওতা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী’

__________________________________________________________________