ওয়াশিংটন: বর্মবিদ্বেষী মন্তব্যের জেরে সমালোচিত ট্রাম্প৷ চার কৃষ্ণাঙ্গকে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘‘যেখান থেকে এসেছেন, সেখানেই ফিরে যান৷’’ আর এতেই তোলপাড় মার্কিন মুলুক৷ জন্মসূত্রে ওই চারজনের একজন মার্কিন না হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা সেদেশেই৷ বাকি তিন জনের তো জন্ম কর্ম সবই সেদেশে৷ যার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে ট্রাম্প ঘরোনি মেলানিয়ার৷ কিন্তু, স্বামীর মন্তব্যে তিনি কেন নির্বক? প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে৷

তথ্য বলছে, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও আমেরিকায় জন্মাননি। ফার্স্ট লেডির জন্ম স্লোভেনিয়ায়। যা একসময়ে যুগোস্লোভিয়ার অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে স্লোভেনিয়া স্বাধীন হয়, ট্রাম্পের সে সময়ে বয়স ২১ বছর। ওই সময়েই মডেলিংয়ের জন্য স্লোভেনিয়া ছেড়ে মেলানিয়া প্রথমে ইটালি এবং পরে ফ্রান্সে যান। ১৯৯৬ সালে পা রাখেন নিউ ইয়র্কে। সেখানেই ১৯৯৮ সালে তাঁর ধনকুবের ব্যবসায়ী ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় তাঁর। ট্রাম্পকে বিয়ে করেন ২০০৫ সালে৷ ২০০৬ সালে পান মার্কিন নাগরিকত্ব।

এদিকে ট্রাম্পের নিশানায় যে চার কৃষ্ণাঙ্গ রয়েছেন তাদের অন্যতম মিনেসোটার ইলান ওমর৷ তাঁর জন্ম সোমালিয়ায় হলেও বেড়ে ওটা থেকে কর্মজীবন আমেরিকায়৷ যার সঙ্গে মিল রয়েছে মেলেনিয়ার৷ নাগরিকত্ব-প্রশ্নে ট্রাম্প পত্নী বরাবরই বলেছেন, আইনি পথেই আমেরিকার নাগরিক হয়েছেন। মেলানিয়ার বাবা-মা-ও পারিবারিক সূত্রে মার্কিন নাগরিক। যদিও এখন ট্রাম্প নিজেই পরিবার-সূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার নীতির বড় সমালোচক।

ট্রাম্পের বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণের পরে সমালোচনার ঢেউ উঠলেও ফার্স্ট লেডি কেন চুপ, উঠেছে সেই প্রশ্ন। গত বছর যখন শরণার্থী শিশুদের বাবা-মায়ের থেকে আলাদা করে দেওয়ার নীতি কার্যকর করতে যান প্রেসিডেন্ট, তখন সরব হতে দেখা গিয়েছিল মেলানিয়াকে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘শিশুদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে দেওয়ার নীতি মানতে পারছি না। এটা হৃদয়বিদারক।’’ কিন্তু এ বার এখনও পর্যন্ত কিছুই শোনা যায়নি মেলানিয়ার মুখে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।