সানা: ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলু খাগড়ার প্রাণ যায়।’ ইয়েমেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ঠিক এমনই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধের জন্য ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে ভারত। প্রাণ সংশয় নিয়ে বহু মানুষ দেশে ফিরে আসছেন যেমন ঠিক তেমনই রয়েছেন বহু নার্স। তাদের অনেকেই দেশে ফিরিতে চান না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। জানা গিয়েছে ইয়েমেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে অর্ধেকই মহিলা সেবিকা। যারা চাকরির খোঁজে সে দেশে পারি দিয়েছিলেন। এখন তাঁরা জীবন সংশয় নিয়ে সে দেশে থেকে যেতে চান তবে ফিরতে চান না ভারতে।

হঠান এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোনও ইয়েমেন প্রীতি নেই। রয়েছে পেটের টান। সদ্য প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ ভারতীয় মহিলার পরিবারই বহু টাকা খরচ করে ডাক্তারি পরিয়েছেন বা সেবিকার শিক্ষা দিয়েছেন। এর পর সাংসারিক খরচ মেটাতে তাঁরা পারি দিয়েছেন বিদেশে। এর মধ্যেই রয়েছে ইয়েমেন। এমনই এক সেবিকা বেঙ্গালুরু নিবাসী টিপার কথায়, “আমি দেশে ফিরতে চাই না কারণ দেশে ফিরলে আমি ধার শোধ করতে পারব না।” দেশে না ফেরার পিছনের যুক্তি ওই মহিলা জানিয়েছেন খোলাখুলি ভাবে। তাঁর কথায়, “আমি যখন এখানে এসেছিলাম তখন এক ব্যক্তির থেকে ২০০০ ডলার মার্কিন মুদ্রা ধার নিয়ে সেবিকার চাকরি নিই। বর্তমানে আমার পারিশ্রমিক ৬০০ ডলার। দেশে ফিরে গেলে এতো টাকা মাইনে পাব না। আর আমার ধারও শোধ হবে না। তাই আমি ফিরতে চাই না।”

বাস্তবও তাই। দেশের এক একটি হাসপাতাল ওই মহিলা সেবিকাদের জন্য ৪০০ ডলার পর্যন্ত অফার করলেও ওই মহিলারা আসতে চান না। কারণ ৪০০ ডলার দিলেও খাওয়া, থাকা খরচেই বেরিয়ে যায় সেই টাকা। তাঁর থেকে ইয়েমেনের বিনামূল্যে থাকা ও মাসিক ৬০০ ডলার পারিশ্রমিকই তাদের কাছে ভালো। টিনা আরও জানিয়েছেন, “আমি যা পারিশ্রমিক পাই তার থেকে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে টাকা পাঠাই। দেশে ফিরে গেলে তা আর সম্ভব নয়।”
যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ দেখেও ইয়েমেনে থেকে যেতে চান টিনার মতো বহু সেবিকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।