নয়াদিল্লি: ভারতের মহাকাশ গবেষণা এখন অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। আমেরিকা, জাপান, চিনের সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে ভারত। কল্পনা চাওলার মতো মহাকাশচারী থেকে চন্দ্রায়ন-২ এর মতো যানের কারণে বিশ্বের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। তবে শুধু এগুলোই নয়, আরও একাধিক স্যাটেলাইট ও মহাকাশ যান রয়েছে যা ভারতকে বিশ্বের মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে এগিয়ে রাখে।

আর্যভট্ট: এই উপগ্রহ সম্পূর্ণভাবে ভারতে এবং ভারতীয় পদ্ধতিতে তৈরি। দেশের বিখ্যাত মহাকাশ বিজ্ঞানী আর্যভট্টের নামে এই উপগ্রহের নাম রাখা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল এটি লঞ্চ করেছিল। কাপুস্তিন ইয়ারে সোভিয়েত কসমস- ৩ এম এটি লঞ্চ করে।

রোহিনী: এর ঠিক পাঁচ বছর পরে ১৯৮০ সালের ১৮ জুন লঞ্চ করেছিল একাধিক স্যাটেলাইট। এদের একত্রে নাম রোহিনী। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা ইসরো থেকে এগুলি ছাড়া হয়। তিনটি স্যাটেলাইট এর কক্ষপথে এখনও ঘুরছে।

চন্দ্রায়ন ১: ভারতের মুকুটে নতুন পালক হল চন্দ্রায়ন ১। এটি চাঁদের কক্ষপথে পাঠানো একটি উপগ্রহ। চন্দ্র পৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার উঁচুতে কাঁচকে কেন্দ্র করে ঘুরছে এটি। এর যন্ত্রপাতি তৈরি হয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, সুইডেন ও বুলগেরিয়ায়। এই উপগ্রহ চাঁদের চারপাশে ৩ হাজার ৪০০ বার ঘুরে ফেলেছে। ২০০৯ সালের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত এই উপগ্রহ বিজ্ঞানীদের সাহায্য করেছে। তারপর এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মার্স অরবিটার মিশন: ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর মঙ্গলে সফলভাবে পাড়ি দেয় ভারত। এই মহাকাশযানকে মঙ্গলায়নও বলা হয়। ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এটি মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করে। মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করতে পেরেছে এমন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রগুলির মধ্যে ইসরো হল চতুর্থ। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনার পর বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেকটাই উপরে উঠে আসে ইসরোর নাম।

GSAT-29: এটি ইসরো লঞ্চ করে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর। এই উপগ্রহের ওজন ৩ হাজার ৪২৩ কিলোগ্রাম। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাযোগের সুবিধার জন্য তৈরি হয় এই স্যাটেলাইট। এই স্য়াটেলাইটের জন্যই আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়।

চন্দ্রায়ন ২: ২০১৯ সালের ২২ জুলাই ভারত চাঁদের দ্বিতীয় মিশন শুরু করে। GSLV-Mk III নামে এই মিশনে চাঁদের পৃষ্ঠে রোভার নামানোর কথা ছিল। ভারত বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ দেশ যে চন্দ্র পৃষ্ঠে রোভার নামায়। এর আগে চিন, আমেরিকা ও রাশিয়া চাঁদে রোভার নামিয়েছিল।

পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল: ভারত এর আগে ১৫ বার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে। এর মধ্য়ে ২৩টি ভারতীয় উপগ্রহ ও ৩১টি বিদেশি উপগ্রহ। লো আর্থ অরবিটের জন্য PSLV বা পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকলের ব্যবহার করে ভারত। ইন্টারপ্ল্যানেটারি মিশনে জিওসিংক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিট বা GTO-তে অপেক্ষাকৃত হালকা যোগাযোগ ও নেভিগেশনের জন্য এর ব্যবহার হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।