কলকাতা: বলা নেই কওয়া নেই, সদ্য বিয়ে করা বউকে নাকি ঠাস করে চড়। আরে তাও আবার প্রকাশ্যে তার শেয়ার। আর ভাবুন দুই টেলি অভিনেতা-অভিনেত্রী এত বড় কাণ্ড করার পর তাঁদের নিয়ে নেই কোনও সমালোচনা। অন্ততপক্ষে যে স্বামী এ চড় কষালেন তাঁকে নিয়ে দু একটা মন্তব্য তো থাকতেই পারতো। কিন্তু সেটা হলো না। কারণ এখন রিলের দুনিয়া। মানে এই চড় নিছক মজার ছকে বানানো একটি রিল।

কোন দুই টলি অভিনেতা-অভিনেত্রী এই রিল বানালেন। এই রিল বানালেন সদ্যবিবাহিত সায়ন্তনী সেনগুপ্ত এবং ইন্দ্রনীল মল্লিক। এই দুজনের মিষ্টি প্রেম অনেক আগে থেকেই সবার নজর কেড়েছিল। ঘরোয়া পরিবেশে নিজের কাছের বন্ধু বান্ধবদের নিয়েই বিয়ে করেছিলেন এই দুজন। ভ্যালেন্টাইন ডের দিন অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা করেছিলেন এই দুজন। বিয়ের একমাস পুরণ হতেই স্ত্রী সায়ন্তনীকে, শুভেচ্ছা জানিয়ে ইন্দ্রনীল লিখেছিলেন, “সময় হাওয়ার বেগে বয়ে যায় । আমাদের পথ চলা শুরুর একমাস হল কিন্তু তাও সে মুহূর্তে আমাদের কাছে ফ্রেশ। যাঁরা আমাদের এই দিনটাকে স্পেশাল করে তুলেছিলেন তাঁদের সবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।”

আর এবার ইন্দ্রনীল মল্লিক এবং সায়ন্তনী সেনগুপ্ত তাদের অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করলেন একটি মজার ভিডিও। যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ইন্দ্রনীল আপন-মনে পুরোদস্তুর রোমান্টিক মুডে গান গাইছে। আর ঠিক তখনই সায়ন্তনী এসে তাঁর সঙ্গে গলা মেলাচ্ছেন। এটাতেই বেজায় চটে ইন্দ্রনীল সায়ন্তনীর গালে একটি চড় কষিয়ে বলছেন ‘বিচ মে না বোল’ অর্থাৎ ‘মাঝখানে কথা বলো না’। আর তারপরই ফিরে যাচ্ছে একাই নিজের রোমান্টিক মুডে। আর এই সময়টায় সায়ন্তনীর এক্সপ্রেশন দেখার মত।

স্বামী-স্ত্রীর এই মজার ভিডিও দেখে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে থাকতে পারেননি তাঁদের অনুরাগীরা। সঙ্গে এই ভিডিওর নিচে কমেন্ট করেছেন অভিনেত্রী গীত রায়, শ্রীতমা রায়চৌধুরী। দুজনেই হাসির ইমোজি দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁরা কতটা মজা পেয়েছে ভিডিও দেখে। হাসি মজা ও ভালোবাসায় এই দম্পতির জীবন চলতে থাকুক এবং রিলে এতটাই সুখের এবং মজার।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Indranil Mullick (@indranil.srijon)

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.