জাকার্তা: কয়েকদিন আগেই ইন্দোনেশিয়ার জোসুয়া হুটাগালানগুর নামে এক যুবক উল্কাপিণ্ড পেয়েছিল। রাতারাতি দরিদ্র থেকে কোটিপতি হয়ে গিয়েছে সে। জোসুয়ার বাড়ির আকাশ থেকে অতি বিরল একটি উল্কাপিন্ড পরে। যার জেরে রাতারাতি ভাগ্য ফেরে জোসুয়ার। এখানেই প্রশ্ন ওঠে উল্কাপিণ্ডে কী থাকে, যার জন্য এটা এত দামী?

যখন কোনও কারণে গ্রহাণু ভেঙে যায়, তখন সেটির একটি অংশ পৃথক হয়ে যায় একেই উল্কা বলে। উল্কাপিণ্ড যখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছে যায় তখন সেটি বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে আসায় সেটি জ্বলে ওঠে এবং আমরা এমন একটি আলো দেখতে পাই যা দেখতে একটি খসা তারার মতো দেখায়।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে সব উল্কা যে পুড়ে যায় তা হয় না, কিছু বৃহত আকারের উল্কা পুরোপুরি না পুড়েই মাটিতে নেমে আসে। নাসার জনসন স্পেস সেন্টার বিশ্বের বিভিন্ন কোণে পাওয়া উল্কাগুলি নিজেদের সংগ্রহে রাখে। এগুলি অধ্যয়ন করে সৌরজগতের অনেক অজানা তথ্য জানার সম্ভাবনা থাকে।

আরও পড়ুন – BIG BREAKING: সমুদ্রে ভেঙে পড়ল মিগ-২৯কে -এর ট্রেনার জেট, উদ্ধার এক পাইলট

উল্কাপিণ্ডের দাম হয় গ্রামে। এগুলি প্রতি গ্রাম ০.৫০ ডলার থেকে ১০০০ ডোলার অবধি হতে পারে। কেবলমাত্র শিলা এবং ধূলিকণার উল্কার দাম খুব বেশি হয় না। এগুলি সাধারণত বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষণ করে।

অন্যদিকে কিছু উল্কা রয়েছে যেখানে ধাতু পাওয়া যায়। সেগুলির দাম সোনার চেয়েও বেশি হতে পারে। এগুলি আরও বিরল বলে গণ্য হয় যখন পৃথিবীর বাইরে মহাবিশ্বের অন্য ধাতু এসে পড়ে।

ইন্দোনেশিয়ার যুবক জোসুয়া হুটাগালানগু যে উল্কাপিন্ড পান, তা আসলে ছিল বিরল। জোসুয়ার বাড়ির ছাদে পড়ে উল্কাটি। যখন সেটি পড়ে তখন কাজ করছিল জোসুয়া। উল্কাপিণ্ডটি মারাত্মক তীব্র গতিতে ছাদে পড়ে ছাদ ফুটে হয়ে নীচে পড়ে মেঝের মধ্যে প্রায় ১৫ সেমি ঢুকে যায়। ঘটনায় প্রথমে মারাত্মক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন জোসুয়া।

কিন্তু এটি বিক্রি করে জোসুয়া পেয়েছে ১০ কোটি টাকা। যেহেতু এটি খুব বিরল প্রজাতির উল্কা, তাই প্রতি গ্রামে এর দাম হয়েছিল ৮৫৭ ডলার। জোসুয়া জানিয়েছে, প্রথম যখন এটি পড়ে, তখন এটি মারাত্মক গরম ছিল কিন্তু পরে এটি ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।