ফাইল ছবি৷

অযোধ্যা: ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর অনুষ্ঠানে ডাক পাননি বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি। বিষয়টি গেরুয়া শিবিরের অন্দরে জলঘোলা কম হয়নি। গত কয়েক দিনে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে একাধিক বিজেপি নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর অনুষ্ঠানে সেই ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের। তবে আশ্চর্যজনকভাবে আদবানি-জোশিদের নাম পর্যন্ত মুখে আনলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়ে গেল রামমন্দিরের। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিপুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পুজোয় উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত।

সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামনেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘করোনা মহামারীর জেরে কয়েকজন মানুষ এখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। ভবিষ্যতের অনুষ্ঠানে তাঁদেরও অযোধ্যায় আমন্ত্রণ জানানো হবে।’ সরাসরি লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলিমনোহর জোশিদের নাম না করলেও যোগীর বক্তব্যের উদ্দেশ্য বুঝতে অসুবিধা হয়নি কারও।

তবে আদিত্যনাথ আদবানির নাম না নিলেও আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত তাঁর বক্তৃতায় সরাসরি আদবানির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার জন্য বহু মানুষ তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের অনেকেই আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, `আদবানিজি নিশ্চয়ই আজ বাড়ি থেকে এই অনুষ্ঠান দেখছেন। এমন কয়েকজন মানুষ আছেন, যাঁদের আজ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বর্তমান মহামারীর পরিস্থিতির জেরে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।’

যোগী আদিত্যনাথ, মোহন ভাগবতরা এদিন আদাবানির প্রসঙ্গ টানলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে বিজেপির ‘লৌহপুরুষ’-এর নাম শোনা যায়নি। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনকারীদের এদিন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও