নয়াদিল্লি: পেট্রোল ডিজেল এবং রান্নার গ্যাস যেভাবে লাফ দিয়ে বৃদ্ধি হচ্ছিল তার ফলে সামগ্রিকভাবে মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা ইতিমধ্যেই দানা বেঁধেছিল। ‌ এবার সেই আশঙ্কা যে সত্যি তা বোঝা গেল। এবার খুচরো মূল্য বৃদ্ধি ৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।আর পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি পৌঁছে গিয়েছে ৪.১৭ শতাংশে,যা গত ২৭ মাসে সর্বোচ্চ।
সোমবারে সরকারের পক্ষ থেকে  পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে । তাতে দাবি করা হয়েছে পেট্রোল ডিজেলের চড়া দর পাইকারি বাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিকে বাড়িুয়ে দিয়েছে ০.৫৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে যেটা কমে হয়েছিল ৪.৭৮ শতাংশ। খাদ্যপণ্য়ের মূল্য়বৃদ্ধির হার ১.৩৬ শতাংশে উঠেছে । দেখা গিয়েছে, ডাল, ফল আনাজ সব কিছুরই দাম আগের থেকে কিছুটা বেশি হয়েছে ।

এমনিতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পেট্রোল ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় এমন ঘটনা ঘটছে। যার জন্য এ নিয়ে সতর্ক করতে দেখা গিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংককে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, তেলের খরচ না কমলে পরিবহণ খরচ কমবে না সেক্ষেত্রে পাইকারি বাজারে খাদ্যপণ্য সহ সব রকম জিনিসের দামই বেড়ে যেতে পারে । এর ফলে ইতিমধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাড়ানোর যে ইঙ্গিত মিলেছিল সেটা বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। যদিও এই সময় কেন্দ্র এবং রাজ্য বিপুল পরিমাণ আয় করছে তেলের উপর শুল্ক থেকে। সেক্ষেত্রে এই পরিস্থিতিতে কর কমিয়ে দিয়ে সরকার তেলের দাম কমানোর দিকে হাঁটতে পারে।

এদিকে পরিস্থিতি বিচার করে মূল্যায়ন সংস্থা ইক্রার অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার অভিমত প্রকাশ করেছে, এমনটা চললে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হার ৯ শতাংশে পৌছতে পারে । সেক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাংক সুদ কমানো পথে হাঁটবে না। শিল্পসংস্থাদের চাহিদা সব সময়ই থাকে সুদের হার কমানো কারণ তাহলে তাদের উৎপাদন খরচ কমতে পারে । কিন্তু এই রকম মূল্যূৃবৃদ্ধির পরিস্থিতিতে তো আর সুদের হার কমানো সম্ভব হয় না । ফলে এই মুল্যবৃদ্ধির হার চিন্তায় ফেলছে অনেককেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.