জেনেভা: কথায় বলে, জন্মের পর নবজাতকের শ্রেষ্ঠ খাবারই হল মাতৃদুগ্ধ। মায়ের দুধের কোনও বিকল্প হয় না। এতে যে হাইপ্রোটিন থাকে তা অন্য কোনও খাবার থেকে মেলে না। যারফলে বাচ্চাকে সুস্থ এবং সবল রাখতে জন্মের প্রথম ছয়মাস শিশুকে স্তন্যপানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন সকল চিকিৎসকও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

করোনা আবহে এবার চিকিৎসকদের এই বাণীকে সম্মতি জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তবে বিষয়টি একটু আলাদা।

সোমবার একটি বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, করোনা সংক্রামিত মায়েরাও তাঁদের বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান। কারণ, এর উপকারিতা অনেক। শিশুর স্তন্যপানের ফলে মায়ের সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।”

এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশটি হল, অন্যান্য মায়েদের মতোই করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে এমন মায়েরাও তাঁদের শিশু সন্তানকে নিশ্চিন্তে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। এতে ভয়ের কোনও কারন নেই। মায়ের বুকের দুধ বাচ্চার কোনও ক্ষতি করে না।

তেমনই এতে করোনা আক্রান্ত মায়েদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেকাংশে কম থাকে। ফলে আপনি করোনা আক্রান্ত হলেও কোলের শিশুকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করবেন না। নিশ্চিন্তে তাকে বুকের দুধ পান করতে দিন।

করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন করতে গিয়ে ‘হু’য়ের প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বলেন, “বিশ্ব বুকের দুধ খাওয়ানোর সচেতনতা সপ্তাহ চলছে।”

তিনি আরও বলেন যে, “নবজাতক শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর অনেকগুলি সুবিধা আছে। এতে মায়েরদের করোনা সংক্রমণের সম্ভাব্য ঝুঁকি যথেষ্ট পরিমাণে কমে যায়”।

যদিও এই বিষয়ে পৃথিবীর অন্যান্য চিকিৎসক মহলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে যাই হোক,মাতৃদুগ্ধই শ্রেষ্ঠ খাবার সকল সদ্যোজাতের কাছে। ফের তা আরও একবার মনে করিয়ে দিল ‘হু’।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও