জেনেভা: করোনার উৎস কী? উত্তর খুঁজতে চিনে ফের একবার বিশেষজ্ঞ দল পাঠাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। কারণ হু মনে করছে এই ভাইরাসের উৎস না জানা গেলে ভাইরাসকে নিধন সম্ভব না।

উল্লেখ্য, এই করোনার উৎস সন্ধানে হু-এর টিমকে আমন্ত্রণ জানাতে মে মাস থেকেই চিনকে চাপ দিচ্ছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা। এরপর এই জুলাইয়ে হয়তো চিনে যাবে হু-এর বিশেষ টিম।

প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম ঘেবরেয়ুসুস একটি ভার্চুয়াল সভায় জানিয়েছেন, ভাইরাসটির উৎস জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য, ভাইরাসটি কীভাবে উৎপত্তি হয়েছিল তা যদি আমরা জানতে পারি তবে ভাইরাসের সঙ্গে আরও ভাল ভাবে লড়াই করা যাবে।

তিনি জানিয়েছেন, “আমরা এর জন্য আগামী সপ্তাহে একটি দল চিনে পাঠাব এবং আমরা আশা করি, ভাইরাসটি কীভাবে শুরু হয়েছিল তা বুঝতে সক্ষম হব।”

হু -এর এই বিশেষ দল কী হবে? বা কোন কোন প্রতিনিধিরা এই দলে রয়েছেন, অথবা এই দিলের নিশ্ন কী হতে চলেছে, সে সম্পর্কিত আর কোনও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অন্য প্রাণী থেকেই মানুষের দেহে এই ভাইরাস প্রবেশ করেছিল। যদিও এর পাকাপোক্ত কোনও প্রমাণ নেই।

অন্যদিকে মারণ ভাইরাসের দাপটে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ লক্ষ মানুষের। মাত্র ৬ মাসের মধ্যে সারা পৃথিবীতে এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু আর কোনও রোগে হয়নি। এএফপি জানাচ্ছে, মোট মৃতের তিন ভাগের দুই ভাগ মৃত্যুই ঘটেছে আমেরিকা ও ইউরোপে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.