Covid

লখনউঃ দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাঁধ সেধেছে দেশের বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। হাসপাতালে শয্যার অভাব, মিলছে না পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। এহেন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে দেশের গ্রাম্য অঞ্চলের অবস্থাও বেগতিক। ঠিক সেই সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) সামনে নিয়ে এল যোগী সরকারের (Yogi Govt) করোনা মোকাবিলায় ঘরে ঘরে প্রচারের পদক্ষেপটি।

সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO), তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী সরকারের করোনার (Corona) বিরুদ্ধে সাধারণের সচেতনতা বাড়াতে ঘরে ঘরে প্রচার পদক্ষেপটির প্রশংসা করার পাশাপাশি এও উল্লেখ করেছিল যে, সেখানে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কীভাবে গোঁড়া থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ডাব্লুএইচও আরও জানিয়েছে যে যোগী সরকার ১,৪১,৬১০টি টিমকে গ্রামের রাস্তায় নামিয়েছে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কাজে লাগানোর জন্য। এই দলগুলিতে রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগের ২১,২৪২ জন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে, তারা এটি নিশ্চিত করবে যে, কোনও গ্রামাঞ্চল যেন এই সচেতনতা অভিযান থেকে বাদ না পড়ে। ৫ মে থেকে সেখানকার গ্রামাঞ্চলে এই প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে।

সেই অভিযানে একাধিক বিষয়ে গ্রামবাসীদের অবগত করা হচ্ছে। সেখানে যদি গ্রামবাসীদের দ্রুত করোনা পরীক্ষা করা হয় এবং তাদের সংক্রামিত হতে দেখা যায়, তবে কীভাবে তারা করোনার সাথে লড়াই করতে পারে সে বিষয়ে তাদের ওষুধের ব্যাপারে খেলাগুলির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সময়ে, যারা করোনা আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শে আসছে, তাদের সবাইকে অতি দ্রুত পরীক্ষার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। ডাব্লুএইচও বলেছে যে এটি উত্তরপ্রদেশ সরকারকে প্রশিক্ষণ এবং মাইক্রো পরিকল্পনা করতে সহায়তা করছে। এছাড়াও, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একেবারে পথে নেমেই কর্মকর্তারাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা সরকারকে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে সাহায্যও করছে।

প্রসঙ্গত, বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪২১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এদিন ফের মৃত্যুর সংখ্যা ৪ হাজারের গণ্ডি টপকালো। মঙ্গলবার যেখানে ৩ হাজার ৮৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে বুধবার ৪ হাজার ২০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কমেছে দৈনিক সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে বুধবার ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৮ জন সুস্থ হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৯৩৮ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৯৯ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৪২ জন। দেশের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ১৯৭ জনের। মোট ১৭ কোটি ৫২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৯১ জনকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.