স্ত্রী সারা আব্দুল্লার সঙ্গে সচিন পাইলট

নয়াদিল্লি: গত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে সচিন পাইলট। রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের এই তরুণ নেতাকে ঘিরে রাজনেতিক মহলে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। কংগ্রেস পরিবারের ছেলে সচিন পাইলট বলছেন, তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন না। আবার বিজেপিরও দৃষ্টি রয়েছে সচিন ও তাঁর সমর্থকদের উপর।

বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে ভারতে ফিরে বাব-মায়ের মতই রাজনীতিতে যোগ দেন এই সচিন পাইলট।

উত্তরপ্রদেশের সাহরাণপুরে জন্ম সচিনের। বাবা ছিলেন কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজেশ পাইলট, মা রমা পাইলট। দিল্লিতে এয়ার ফোর্স বাল ভারতী স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে স্নাতক হন সেন্ট স্টিফেন্স কলেজ থেকে।

গাজিয়াদাবাদ আইএমটি থেকে মার্কেটিংয়ে ডিপ্লোমা করার পর এমবিএ করেন ফিলাদেলফিয়ার ‘হোয়ারটন স্কুল অফ দ্য ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়া’ থেকে।

পাশ করার পর চাকরিও করেছেন তিনি। প্রথমে ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন ও পরে মার্কিন সংস্থা জেনারেল মোটরসে ২ বছর চাকরি করেন তিনি।

২০০৪-এ প্রথম লোকসভা নির্বাচনে লড়েন তিনি। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই সাংসদ হন। তিনিই ছিলেন দেশের কনিষ্ঠতম সাংসদ। ২০০৯-এ বিজেপির কিরণ মহেশ্বরীকে ৭৬০০০ ভোটে হারিয়ে দেন তিনি। জয়ী হন আজমের থেকে। ২০১২-তে প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন সচিন পাইলট। মনমোহন সিং-এর দ্বিতীয় বারের মন্ত্রিসভায় কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স সংক্রান্ত মন্ত্রিত্ব পান তিনি।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি তিনি। রাজস্থান প্রদেশে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হন সেই বছর। ২০১৮-তে বিধানসভা নির্বাচনে রাজস্থানের টংক থেকে জেতেন তিনি। অনেকেই ভেবেছিলেন এই তরুণ, মেধাবী নেতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হবে। কিন্তু বর্ষীয়ান নেতা গেহলটকেই সেই পদ দেয় হাই কমান্ড। পাইলট হন উপমুখ্যমন্ত্রী।

২০০৪-এ সারা আব্দুল্লাকে বিয়ে করেন তিনি। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লার মেয়ে সারা। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে, আরণ ও বেহান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ