নয়াদিল্লি: বেশ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর এনকাউন্টারে খতম হিজবুল জঙ্গি নেতা রিয়াজ নাইকু। বুধবার সকালে পুলওয়ামায় মোস্ট ওয়ান্টেড এই জঙ্গিকে বিশেষ অভিযানে গুলিকে করে মারে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী।

কে এই রিয়াজ নাইকু?

১. বয়স ৩৫ বছর। হিজবুল মুজাহিদীনের যে কয়েকজন জঙ্গি এখনও উপত্যকায় টিকে আছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল এই রিয়াজ। A++ ক্যাটাগরির জঙ্গি ছিল এই রিয়াজ নাইকু। তার মাথার দাম ছিল ১২ লক্ষ টাকা।

২. একাধিক পুলিশ অফিসারকে হত্যায় দায়ী ছিল এই নাইকু। বুরহান ইয়ানির সঙ্গে একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছিল তাকে।

৩. বুরহানের সঙ্গে হিজবুলের পোস্টার বয় হিসেবে দেখা গিয়েছিল এই জঙ্গিনেতাকে। ২০১৬ তে উপত্যকায় সেনার হাতে নিহন হয় বুরহান ওয়ানি।

৪. ২০১৬-তে এনকাউন্টারে মৃত শারিক আহমেদ ভাটের শেষকৃত্যে দেখা গিয়েছিল রিয়াজকে। তার হাতে ছিল কালাশনিকোভ। মৃতদেহের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এগিয়ে এসে পরপর শূন্যে গুলি চালিয়েছিল। তখনই শিরোনামে আসে এই নাইকু। এরপর থেকে একাধককবার নাইকুকে অস্ত্র হাতে শেষকৃত্যে উপস্থিত হতে দেখা গিয়েছে।

৫. একাধিকবার কাশ্মীর পুলিশ তাকে জালে ফেললেও শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে তুখোড় এই জঙ্গি নেতা। দিনের পর দিন কার্যত লুকোচুরি চলত পুলিশের সঙ্গে।

৬. রিয়াজের প্রেমিকাকেও চিহ্নিত করতে পেরেছিল পুলিশ। কিন্তু শেষ অবধি তার নাগাল পাওয়া যায়নি।

৭. বুরহানের পর টেক স্যাভি ছিল এই রিয়াজ নাইকু। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধয়মে একের পর একজনকে জঙ্গিদলে যোগ দিতে উদ্যোগ নিত সে। তার হাত ধরে চলতি বছরেই অন্তত ১২ জন যোগ দিয়েছে জঙ্গি দলে।

৮. একসময় একটি ভিডিওতে সে দাবি করেছিল যে, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের কাশ্মীরে স্বাগত জানাবে সে। দাবি করেছিল, জঙইরা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের শত্রু নয়।

৯. ২০১২-তে জঙ্গিদলে যোগ দেয় রিয়াজ নাইকু। তার আগে কাশ্মীরের একটি স্থানীয় স্কুলে অঙ্কের শিক্ষক ছিল এই যুবক।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব