নয়াদিল্লি : গোটা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে করোনা কালে ত্রাতার ভূমিকা নিয়েছে ভারত। আর এর পিছনে অবদান রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। প্রায় ৬০টি রাষ্ট্রে পৌঁছেছে ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন, এতে উপকৃত হয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। এই ভাষাতেই নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর টেডরোস অ্যাডানম ঘেব্রেইয়েসাস। টেডরোস জানান শুধু ভারতের প্রতিবেশি দেশ, যেমন, নেপাল-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কাই নয়, পশ্চিম এশিয়া, সুদূর পশ্চিম, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকাতেও গিয়ে পৌঁছেছে ভারতের ভ্যাকসিন।

ভ্যাকসিন মৈত্রী উদ্যোগের আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে করোনা টিকা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে ভারত। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬০টি দেশে ভারতের ভ্যাকসিন পৌঁছেছে। ভারতের এই উদ্যোগকেই স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা আবহে যেভাবে সাহায্যের হাত নরেন্দ্র মোদী বাড়িয়ে দিয়েছেন, তা চোখে পড়ার মত বলে উল্লেখ করেছেন টেডরোস। তিনি জানান ভারত সরকারের এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছে বহু ছোট দেশও।

এক ট্যুইট বার্তায় টেডরোস জানান “Thanks India & Prime Minister @narendramodi for supporting #VaccinEquity. Your commitment to #COVAX and sharing #COVID19 vaccine doses is helping 60+ countries start vaccinating their #healthworkers and other priority groups. I hope other countries will follow your example.”

এর আগে মোদী বলেছিলেন দেশে তৈরি দুটি ভ্যাকসিন ভারতকে আত্মনির্ভরতার চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড দেশের গর্ব। তাই শুধু দেশের সীমানায় আটকে থাকবে না ভারত। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে বন্ধুরাষ্ট্র গুলির দিকেও। যে দেশে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন, সেই দেশে পৌঁছবে ভারতে তৈরি করোনা ভ্যাকসিন।

মোদী বলেন এর আগে লকডাউন চলাকালীন একাধিক রাষ্ট্রে ভারতে তৈরি পিপিই কিট, চিকিৎসার সরঞ্জাম পৌঁছেছে। মানবতার খাতিরে ভারত সর্বদা অন্যান্য রাষ্ট্রকে সাহায্য প্রস্তুত। এরআগে যখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিল দেশ, তখন ভারতকে সামনে রেখে বেশ কয়েকটি দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলে। ভারতই প্রথম রাস্তা দেখায় প্রতিবাদের।

প্রধানমন্ত্রীর দাবি দেশের মানুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। কিছুদিন আগেই এই দুটি ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। তাই ২০২১ সালের শুরুতেই আত্মনির্ভরতার গতি বেড়েছে ভারতে। তার পিছনে দেশে তৈরি করোনা ভ্যাকসিন দুটির অবদান অসামান্য। নিজের দেশে তৈরি ভ্যাকসিনের জন্য মাথা উঁচু হয়েছে প্রত্যেক ভারতবাসীর। এমন কেউ নেই, যিনি এই পদক্ষেপে খুশি হননি, গর্বিত হননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।