জেনেভা: করোনার মারণ দাপটে বিধ্বস্ত গোটা বিশ্ব। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টিকার আকাল অব্যাহত। এমতবস্থায় ছোটদের টিকাকরণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করে দেখতে ধনী দেশগুলির কাছে আর্জি জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)। শিশুদের টিকা করণ বন্ধ রেখে কোভিড-১৯(Covid-19) ভ্যাকসিনের ডোজ কোভ্যাক্স (Covax) প্রকল্পে দান করে তা দরিদ্র দেশগুলির সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান।

হু (WHO)প্রধান টেড্রোস অ্যাধানোম ঘেব্রেয়েসাস জেনেভায় এক বৈঠকে বলেছেন, কিছু দেশ কেন কিশোর ও শিশুদের টিকাদান করতে চাইছে তা বুঝতে পারছি। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের কাছে আবেদন, এই সিদ্ধান্ত পুণর্নিবেচনা করুন। বরং টিকার ডোজ কোভ্যাক্সে দান করুন। কারণ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো এখনও পর্যন্ত নিজেদের স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দিয়ে উঠতে পারেনি। জরুরিভিত্তিতে তাদের জীবন রক্ষা করা জরুরি। বর্তমান ভ্যাকসিন সরবরাহের মাত্র ০.৩ শতাংশ ভ্যাকসিন পেয়েছে কম আয়ের দেশগুলো। তিনি আরো বলেন, আমরা অতিমারীর দ্বিতীয় বছরে পৌঁছে গিয়েছি। প্রথম বছরের তুলনায় এটি আরো মারাত্মক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান আগেই ভ্যাকসিন নিয়ে জাতীয়তাবাদের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

ইতিমধ্যেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্তদের টিকাকরণের পর কোভ্যাক্স (Covax) প্রকল্পে টিকার ডোজ দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স ও সুইডেনের মতো দেশ। আরও অনেক দেশই ফ্রান্স ও সুইডেনের উদাহরণ অনুসরণ করবে বলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশা প্রকাশ করেছে। কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে কিশোর-কিশোরীদের টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিয়েছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক আধিকারিক বলেছেন, টিকার ডোজ বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ভারতের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক আবার উল্লেখ করেন হু প্রধান, কিছু রাজ্যের সংক্রমণ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে , প্রত্যেকদিন হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে আসা মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। তিনি আবার সতর্ক করে বলেন, মহামারীর দ্বিতীয় বছর প্রথম বছরের চেয়ে মারাত্মক হবে। সুতরাং মানুষকে আরও সতর্ক হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.