স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃতীয়বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতির জন্য বুধবার ছোট করেই হবে সেই অনুষ্ঠান। সোমবার রাজভবনে গিয়ে নতুন করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণে আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট তথা ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও সহ কয়েকজনকে৷

আরও পড়ুন: একাধিক ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে! এই ৪ বিষয় না জানলে হতে পারে ক্ষতি

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গড়তে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ রাজভবনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের কাছে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা আবহের কারণে ছোট করেই হবে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান। তাই খুব সীমিত সংখ্যক লোককেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই অনুষ্ঠানে।

আরও পড়ুন: দেখে নিন একাধিক ফিচারের Redmi Note 10 সিরিজের এই নতুন স্মার্টফোনটি

সোমবারই রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগপত্র জমা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগের প্রথা মেনেই এই পদত্যাগ করেন তিনি। পরে টুইট করে রাজ্যপাল জানান, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তা গৃহীতও হয়েছে। তবে পরবর্তী সরকার গঠন হওয়ার আগে পর্যন্ত তাঁকেই দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ওই টুইটের সঙ্গে রাজভবনে মমতা এবং ধনকড়ের একটি ভিডিয়োও শেয়ার করেন রাজ্যপাল। এর কিছুক্ষণ পরেই টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতার শপথ নেওয়ার দিনক্ষণের ঘোষণা রাজ্যপাল।

আরও পড়ুন: করোনার ওষুধ-ভ্যাকসিনের কালোবাজারি নিয়ে মামলা করলেন ফুয়াদ

বিরোধী নেতা-নেত্রী ছাড়াও নিজের দলের বেশ কয়েক জনকেও আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, , পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিদায়ী মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সী-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.