ওয়াশিংটন: এ কী দেখলাম! বিরক্তিকর। অনেকটা এমনই ক্ষোভ ঝরে পড়েছে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সারা ম্যাথুর বিবৃতিতে। তিনি মার্কিন সংসদ ভবন ‘ক্যাপিটল’ ঘিরে উন্মত্ত রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের হামলার প্রতিবাদে পদত্যাগ করলেন। ফলে আরও বিব্রত শেষ কয়েক ঘণ্টার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

সারা ম্যাথু আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে অতি পরিচিত নাম। তিনি ট্রাম্প সরকারের মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি। তিনি পদত্যাগের কারণ হিসেবে ক্যাপিটল ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলা কে দায়ী করেছেন।

সারা ম্যাথু লিখেছেন, আমি অত্যন্ত বিরক্ত বোধ করছি এমন ঘটনায়।আমি ট্রাম্প সরকারের সময়ে ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করে গর্বিত ছিলাম। সেই গর্ব ভেঙে গেল। পদত্যাগ করলাম।

পদত্যাগের বিবৃতিতে সারা ম্যাথু লিখেছেন, কী করে উন্মত্ত ট্রাম্প সমর্থকরা ক্যাপিটল হিল ভবনের জানলার কাঁচ, দরজা ভেঙেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কী করে তারা সংঘর্ষে জড়াল তাও লিখেছেন তিনি।

সারা ম্যাথুর পদত্যাগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল আরও সরগরম। এদিকে ক্যাপিটল হিল ভবন ঘিরে যে হামলা চালিয়েছে ট্রাম্পের উন্মত্ত সমর্থকরা তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ধিক্কার শুরু হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে ওয়াশিংটনে ক্যাপিটল ভবন অবরুদ্ধ। সদ্য সমাপ্ত মার্কিন জাতীয় নির্বাচনে পরাজয়ের পর যেকটি দিন প্রেসিডেন্ট পদে আছেন তিনি, তার মধ্যে বারবার দাবি করেছেন পরাজয় মেনে নিতে চান না।

এই পরিস্থিতিতে আচমকা ট্রাম্প সমর্থকদের হামলার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য বিশ্বজুড়ে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হন এক মহিলা। পরে তার মৃত্যু হয়।

বুধবার মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্রাট প্রার্থী জো বাইডেনের জয়ের স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। এরই এক পর্যায়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সিএনএন ও বিবিসি জানায়, ক্যাপিটল ভবনের চারপাশে জড়ো হন কয়েক হাজার ট্রাম্প সমর্থক। তাদের মধ্যে ছিল মারমুখী ভাব। প্রথমে তারা ওই ভবনে ঢোকার চেষ্টা চালান। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি চালায় এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

ঘটনার জেরে বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে কড়া প্রতিক্রিয়া। গণতন্ত্রের উপর আঘাত হিসেবেই এটি দেখছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।