চিনা নৌবাহিনী

ওয়াশিংটন: দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে বারবারই উদ্বিগ্ন হয়েছে আমেরিকা। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সামরিক শক্তি ক্রমশ বিস্তৃত করে চলেছে চিন। এবার স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়ল সেরকমই চাঞ্চল্যকর ছবি। দেখা যাচ্ছে ৭২ একর বা ২৮ হেক্টর জায়গা জুড়ে নির্মাণ বানিয়েছে বেজিং। শুধুমাত্র ২০১৮ সালে স্প্র্যাটলি ও প্যারাসেল নামে দুই দ্বীপ জুড়ে তৈরি হয়েছে ওই কনস্ট্রাকশন। মূলত এয়ার ফোর্স ও নেভির ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে ওইসব অঞ্চলে।

ওয়াশিংটনের Asia Maritime Transparency Initiative কড়া নজর রেখেছে চিনের বিস্তারে। তারা জানিয়েছে, হ্যাংগার, আন্ডারগ্রাউন্ড স্টরেজ, মিসাইল শেল্টার, রাডার অ্যারে ইত্যাদি বানিয়েছে চিন। স্প্র্যাটলে নামে ওই দ্বীপের অধিকার দাবি করে মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম ও ব্রুনেই।

কিছুদিন আগেই দক্ষিণ চিন সাগরের দ্বীপের উপর উড়তে দেখা যায় চিনের J-11B ফাইটার জেট। চিনের ‘চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন’-এর একটি ফুটেজে এই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে। ওই অঞ্চলে যে চিন তাদের যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, সেই অনুমান আগেই করা হয়েছিল। ইয়ংজিং আইল্যান্ডের কাছে চিনের হ্যাংগার রয়েছে বলেও জানা গিয়েছিল। চিনের ওই আইল্যান্ড ‘প্যারাসেল আইল্যান্ড’-এর একটি অংশ। আর ওই প্যারাসেল আইল্যান্ড নিজেদের বলে দাবি করে ভিয়েতনামও। প্যারাসেল আইল্যান্ডের চিনা নাম হল জিশা আইল্যান্ড।

ইয়ংজিং আইল্যান্ডের তিন কিলোমিটারের রানওয়ে দক্ষিণ চিন সাগরের বুকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। চিন প্রায় পুরো দক্ষিণ চিন সাগরটাই নিজেদের বলে দাবি করে। আর সেইসঙ্গে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও ওই অঞ্চলে নিজেদের অধিকার দাবি করে। নজরদারি চালানোর জন্য মাঝেমধ্যেই নেভি শিপ বা ফাইটার জেট পাঠায় আমেরিকা। গত মে মাসে দুটি চিনা J-10 ফাইটার জেটের মুখোমুখি হয় মার্কিন এয়ারক্রাফট।