নয়াদিল্লি: মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকট হয়েছে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার কনসেপ্ট। পেমেন্ট কিংবা ব্যাংকিং- সবটাই এখন হয় অনলাইনে। প্রত্যেক দিন ডিজিটাল ভারতকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই সরকারের মন্ত্রীরাও যথেষ্ট টেক-স্যাভি।

নরেন্দ্র মোদী নিজে নানা ধরনের ঘোষণা করে থাকেন ফেসবুকে বা ট্যুইটার হ্যান্ডেলে। অন্যান্য মন্ত্রী বা বিজেপির শীর্ষ নেতাদেরও একই কাজ করতে দেখা যায়। এমনও হয়েছে যে ট্যুইটারে কোনও অভিযোগ জানানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েও থাকেন নেতা-মন্ত্রীরা।

তাই স্মার্টফোন এখন মন্ত্রীদের হাতে হাতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখনই যে দেশে সফরে গিয়েছেন, সেখানকার ছবি পোস্ট করেছেন। ফেসবুক ও ট্যুইটারে তাঁর ভক্তের সংখ্যা বিপুল। সুতরাং আপডেট দিতেও ভোলেন না। সবসময়ই তাঁকে সঙ্গে রাখতে হয় আপডেটেড স্মার্টফোন।

প্রযুক্তির প্রতি নরেন্দ্র মোদীর বিশেষ ভালোবাসা রয়েছে। তাই তিনি উন্নতমানের অ্যাপল ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন।

২০১৮-তে দুবাই সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে গিয়ে সেলফি পোস্ট করেন তিনি। সেই ছবিতে নরেন্দ্র মোদীকে আইফোন-৬ ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল। যেহেতু তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাই সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই আইফোন ব্যবহার করেন মোদী। ট্যুইটারে মোদীর ফলোয়ার ৪.৮২ কোটি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মোদীর প্রধান সৈনিক অমিত শাহও গ্যাজেটপ্রেমী। ট্যুইটারে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যাও বিপুল। ট্যুইটার হ্যান্ডেলে বিভিন্ন ধরনের বার্তা দিতে দেখা যায় অমিত শাহকে। তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ১.৪ কোটি। জানা গিয়েছে, বর্তমানে আইফোন এক্স এস ব্যবহার করেন অমিত শাহ।

এছাড়া মোদী সরকারে আরও এক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও যথেষ্ট টেক স্যাভি। তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় পেট্‌রোলিয়াম মন্ত্রী। ফেসবুক ও ট্যুইটারেও তিনি যথেষ্ট অ্যাকটিভ। একটি আইফোন ও একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তিনি। নীতিন গদকড়ি ও নির্মলা সীতারামণও মন্ত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট টেক স্যাভি। তাঁরাও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন কাজে নজর রাখেন। ফলে এদের প্রত্যেকেরই কাছে উন্নতমানের স্মার্টফোন রয়েছে।