নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে মাস্ক পরতেই হবে। কিন্তু কোন মাস্ক পরবেন? তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। কেউ বলছেন সার্জিক্যাল মাস্কই পরা উচিৎ আবার কেউ বলছেন, এন ৯৫ পরতে হবে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যই এন ৯৫ মাস্ক পরার ব্যাপারে বিধিনিষেধ জারি করেছে।

এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, সার্জিক্যাল মাস্ক নয় বাড়িতে তৈরি মাস্কেই করোনা আটকাতে পারে সবথেকে বেশি। অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক এই বিষয়ে গবেষণা করেছেন। কাপড়ের মাস্কের সঙ্গে সার্জিক্যাল মাস্লের তুলনা করে দেখেছেন তাঁরা।

এলইডি লাইট ও হাই স্পিড ক্যামেরা দিয়ে এই সমীক্ষা করেছেন তাঁরা। দেখা যাচ্ছে একটি লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্কে ভাইরাস আটকানোর সম্ভাবনা অনেক কম।

সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলস ‘থোরাক্স’ নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ডবল লেয়ারের মাস্ক ড্রপলেট ছড়ানো থেকে বাঁচাতে পারে। যদিও তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্কই সবথেকে ভালো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্কের থেকে ঘরে বানানো তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক বেশি নিরাপদ বলে জানানো হয়েছে।

কয়েকদিন আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করে বলা হয়েছে যাতে ভালভ লাগানো N-95 মাস্ক ব্যবহার করা না হয়। এরপর খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেই সতর্কবার্তা দিলেন।

বুধবারই মাস্ক নিয়ে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। ট্যুইট করে এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেন, ‘ভালভ দেওয়া মাস্ক ব্যবহার করলে করোনা আটকানো যায় না। করোনা ভাইরাস ছড়ানো আটকাতে যেসব নিয়ম রয়েছে, এই মাস্ক তার বিরোধী। তিনি বলেছেন, সবাই যাতে তিনটি লেয়ার যুক্ত কাপড়ের মাস্ক পরেন।

কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি লিখেছে কেন্দ্র।

সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে যে ভালভ লাগানো N-95 মাস্ক ব্যবহার করা উচিৎ নয়। এতে ভাইরাসের সংক্রমণ আটকায় না বরং এই মাস্কের ব্যবহার ক্ষতিকারক হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হেল্থ সার্ভিসের ডিজি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষের এই ধরনের মাস্ক ব্যবহার করা উচিৎ নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে যেসব ঘরে বানানো মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে, তা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েচে।

কেন্দ্র জানাচ্ছে, বাড়িতে বানানো এইসব ফেস কভার প্রত্যেকদিন ভালোভাবে ধুয়ে পরিস্কার করতে হবে। আর এই ধরনের মাস্ক বানানোর জন্য সব ধরনের কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

জানানো হয়েছে যে, ওই কাপড়ের মাস্ক প্রত্যেকদিন গরম জলে পাঁচ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে ও ভালোভাবে শুকোতে হবে। তবে মুখ ও নাকের চারপাশে কোনও ফাঁক থাকলে চলবে না।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I