নয়া দিল্লিঃ করোনা (Corona) কবলিত চলতি ও গত বছর, ২০২০ পার করে বিশ্ববাসী আশায় বুক বাঁধছিল করোনা মুক্ত পৃথিবী দেখতে। তবে সম্ভব হল না, ভারতের মতো একাধিক দেশে ২০২১ সালেই করোনা ভয়াবহতার রূপ নিয়েছে। মারণ ভাইরাস সংক্রমণের উত্থান – পথন মানব জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মানুষ এখন করোনা মুক্ত সমাজ বা বাসস্থান খুঁজতে মরিয়া। ঠিক কোথায় গেলে প্রাণঘাতী ভাইরাস করালগ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারব! এটাই মানুষের এই মুহূর্তে বড় প্রশ্ন। ঠিক এই মুহূর্তে সামনে এল একটি সমীক্ষার রিপোর্ট।

Switzerland

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের রিপোর্টে তুলে ধরা হল ২০২১ সালে বিশ্বের প্রথম দশটি সেরা বাসযোগ্য শহরের (Livable cities) তালিকা। বাসযোগ্য কথার ভিন্ন অর্থ আছে। তার মধ্যে সহজ সরল ভাষায় এখানে বাসযোগ্য বলতে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলির উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে। এই সমস্ত বিষয়গুলির উপর নির্ভর করেই প্রকাশিত সেই ১০টি বাসযোগ্য শহরের (The top 10 most livable cities) তালিকা নিচে তুলে ধরা হল।

Perth

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (Economist Intelligence Unit) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহর এই মুহুর্তে বিশ্বের সেরা শহর হিসাবে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে। ইতিমধ্যে জাপানের ওসাকা শহরটি ২০১৯ এর সমীক্ষার তালিকায় চতুর্থ স্থানে ছিল, এই বছর ওই শহরটি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। সর্বশেষ রিপোর্টে অস্ট্রেলিয়া খুব ভাল জায়গায় আছে, অ্যাডিলেড তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে, ষষ্ঠ অবস্থানে পার্থ এবং দশম স্থানে ব্রিসবেন। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার পাশাপাশি অষ্টম স্থানে রয়েছেন মেলবোর্ন।

Tokyo

বিশ্বের শীর্ষ দশটি বাসযোগ্য শহর ও গ্লোবাল লাইভিবিলিটি ইনডেক্স ২০২১ অনুসারে তাদের স্কোরঃ

অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড (৯৬.০)
ওসাকা, জাপান (৯৪.২)
অ্যাডিলেড, অস্ট্রেলিয়া (৯৪.০)
ওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ড (৯৩.৭)
টোকিও, জাপান (৯৩.৭)
পার্থ, অস্ট্রেলিয়া (৯৩.৩)
জুরিখ, সুইজারল্যান্ড (৯২.৮)
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড (৯২.৫)
মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া (৯২.৫)
ব্রিসবেন, অস্ট্রেলিয়া (৯২.৪)

উল্লেখ্য, সমীক্ষাটি পাঁচটি বিষয়ের উপর সবথেকে বেশি জোর দিয়েছে। সেগুলি হল – স্থিতিশীলতা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামো।

Auckland, New Zealand

প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ভারতে (India) করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ রূপ ধারণ করায়,এদেশের একটিও শহর প্রথম দশে জায়গা দখল করতে পারিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.