নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষাতেও আত্মনির্ভর হচ্ছে ভারত। রবিবার সকালেই একথা ঘোষণা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। একধাক্কায় ১০১ টি সরঞ্জানের আমদানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারতের ডিফেন্স প্রোডাকশন বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোট ১০১ টি সরঞ্জাম আমদানি করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত বলবৎ করা হচ্ছে। কী কী থাকছে সেই ১০১টি সরঞ্জামের তালিকায়।

রয়েছে আর্টিলারি গান, অ্যাসল্ট রাইফেল, রাডার, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট ইত্যাদি। সশস্ত্র ফাইটিং ভেইকলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞারয়েছে। অন্তত ৫০০০ কোটি খরচে সেই গাড়ি কেনার কথা ছিল। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি ও নিজস্ব ডিজা্ন দিয়ে সেইসব সরঞ্জাম দেশের মাটিতে তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ওই ১০১ টি জনিসের তালিকায় রয়েছে আর্টিলারি গান, কমব্যাট হেলিকপ্টার, অ্যাসল্ট রাইফেল, কভার্ট, রাডার, সশস্ত্র গাড়ি, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট সহ একাধিক উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র। এবার থেকে এসবই তৈরি হবে ভারতে।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার পরে ফ্রান্স থেকে ভারতের কাছে এসেছে বহুপ্রতীক্ষিত রাফায়েল। ৭,৩৬৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই ফাইটার জেটগুলি এসে পৌঁছেছে। ৩৬টি সুপারসোনিক ওমনিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফটের মধ্যে এই ৫টি ফাইটার জেট প্রথম পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

ভারত ও ফ্রান্সের চুক্তি অনুসারে মোট ৩৬টি ফাইটার জেট হাতে পাবে ভারত। ফলে ৩৬জন বায়ুসেনা পাইলটকে রাফায়েল চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এর মধ্য়ে বেশিরভাগ পাইলটকেই ফ্রান্সে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হবে বলে খবর। কয়েকজনকে ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

রবিবার সকালেই এই ঘোষণার কথা জানানো হয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে। এরপর একগুচ্ছ ট্যুইটে সেসব ঘোষণা করেন রাজনাথ সিং।

কতদিন পর্যন্ত এই আমদানি বন্ধ থাকবে, তা নির্দিষ্টকরা হয়নি। অর্থাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য অস্ত্র আমদাবিবন্ধ করার পথে ভারত। রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর সেই তালিকা তৈরি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

তিনি আরও জানান, ২০১৫ থেকে ২০২০-র মধ্যে তিন বাহিনীতে এরকম অন্তত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে। এবার এই সিদ্ধান্তের পর ভারতীয় সংস্থাই ৪ লক্ষ টাকার বরাত পাবে আগামী ৬-৭ বছরে।

ওই ১০১ টি জিনিসের তালিকায় রয়েছে আর্টিলারি গান, কমব্যাট হেলিকপ্টার, অ্যাসল্ট রাইফেল, কভার্ট, রাডার, সশস্ত্র গাড়ি, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট সহ একাধিক উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র। এবার থেকে এসবই তৈরি হবে ভারতে।

চিনের কারণেই গোটা বিশ্ব এখন ভয়ঙ্কর মহামারীর গ্রাসে। এমনটাই বিশ্বাস বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলির। শুধু তাই নয়, চিনের কারণে পরিস্থিতি দিনে দিনে আরও ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্করতর হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ক্রমশ চিনের উপর বাড়ছে চাপ। যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে আসছে বেজিং। তবে যতই পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে ততই চিনের উপর ক্ষোভ বাড়ছে বিশ্বের। বহু দেশ ইতিমধ্যে চিনের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। ভারত, তাইল্যান্ড, ভিয়েতনামের উপর ভরসা করতে চাইছে। চিনের থেকে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করছে বহু দেশ। ইতিমধ্যে বহু দেশ চিন থেকে ভারতে ব্যবসা সরিয়ে নিয়ে এসেছে। ভারতের মাটিতে মোবাইল ফোন তৈরি করছে অ্যাপলের মতো সংস্থাও। দেশে তৈরি হচ্ছে আইফোন ১১, আইফোন এস্ক-আরের মতো ফোনগুলি। শুধু বড় কোম্পানিই নয়, তাঁদের সহযোগী সংস্থাগুলিও ধীরে ধীরে ভারতমুখী হচ্ছে। যা ভারতের ব্যবসার ক্ষেত্রে বড়সড় দিক বলে মনে করা হচ্ছে। আর যেভাবে সংস্থাগুলি আসতে শুরু করেছে তাতে আগামী এক বছরে ভারতে ৫৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদনকারী সংস্থা ইতিমধ্যে তাদের ৬টি উৎপাদন কেন্দ্র ভারতে সরিয়ে নিয়ে এসেছে। ভেন্ডর কোম্পানিগুলি শুধু যে স্মার্টফোনের উৎপাদন সরাতে চাইছে তাই নয়, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের বাজারে ব্যবসা করতে চাইছে তারা। আগামিদিনে তেমনটা হলে আই ম্যাক, আই প্যাড আরও সস্তা হয়ে যাবে। কারণ চিনে তৈরি যন্ত্রাংশ আমদানি করতে চড়া হারে শুল্ক দিতে হবে না।

একটি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ভারতে পা রেখেছে অ্যাপলের প্রস্তুতকারী সংস্থা। আসতে চলেছে আরও কয়েকটি সংস্থা। তাদের মধ্যে রয়েছে স্যামসাং, উইশট্রন, প্যাগাট্রন, ফক্সকনের মতো প্রথমসারির সংস্থা। করোনা আবহে বিশ্বের বহু দেশ এবং সংস্থা ভারতের বাজারে ঢুকে পড়তে চাইছে। তাদেরকে টেনে আনতে বেশকিছু স্কিম রাখছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, ২২টি দেশীয় ও বিদেশি সংস্থা মিলে আগামী পাঁচ বছরে ১১.৫ লক্ষ কোটি টাকার জিনিস উৎপাদন করবে। যার ফলে ৭ লক্ষ কোটি টাকার বেশি রফতানি করতে পারবে বিদেশে।

করোনা আবহে কর্মসংস্থান হারিয়েছেন বিশাল সংখ্যক মানুষ। জিডিপি ঠেকেছে তলানিতে। আত্মনির্ভর ভারতের কথা শুনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে বিদেশি সংস্থাগুলি যদি ভারতের বাজারে নজর দেয়, তাহলে কর্মসংস্থানের হার ও জিডিপি ঘুরে দাঁড়াবে বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

The Mizoram government has curtailed the period of deferment of employees’ salary from three months to two in view of a slight improvement in the financial condition of the state and all staffers will be paid in full from August, according to an order.

The state government had earlier decided to defer a portion of the salary of a large number of employees for three months from June to ease the financial constraints caused by the coronavirus pandemic.

“Salary deferment of government servants for a period of three months i.e. June to August 8, 2020 shall be effective till the month of July 2020. All government employees shall be paid their salary in full from the month of August,” the finance department said in an office memorandum.

It said that an employee having General Provident Fund account may either impound the reimbursement of deferred salary to the GPF account or receive it in cash.

Those opting for cash payment would get the salary deferred in June repaid along with that of August.

Similarly, the salary deferred in July would be repaid in September, according to the memorandum issued on Friday.

“For government employees who opted for credit to GPF account, repayment of the deferred salary for the months of June and July shall be done in one instalment along with payment of salary of August,” it added.

While 15 per cent of gross salary for Group-A staff would be deferred, it would be 10 per cent for Group-B and five per cent for Group-C and D, the June 11 order had said adding that the decision would not be applied to Group-B, C and D employees of police and health departments.

Employees whose gross monthly salary is Rs 40,000 or less would not be affected by the deferment, according to that order.

The opposition Congress had termed the move as “unacceptable” and claimed that the government has enough money to fight COVID-19.

চলতি মাসের শেষে প্রকাশ করা হবে রাজ্যে রাজ্যে ১ সেপ্টেম্বর থেকে চালু করার জন্য চূড়ান্ত আনলক গাইডলাইন। সম্ভবত তার পর
এ ব্যাপারে ইস্যু করা হবে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি)। তারপর বার হবে জুলাইয়ের শুরুতে স্কুল শিক্ষা বিভাগের করা একটি চটজলদি সমীক্ষা রিপোর্ট।

সেই সমীক্ষায় অবশ্য স্পষ্ট, অভিভাবকরা কেউই চান না, তাঁদের ছেলেমেয়ে এখন স্কুলে যাক। কিন্তু রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কাছে দরবার করেছে, স্কুল বন্ধ থাকায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলির ছেলেমেয়েরা সঙ্কটে পড়েছে।

তা ছাড়া হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের মত যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম, তারাও উঁচু ক্লাসের ছেলেমেয়েদের স্কুল চালু করে দিতে চায়।

কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক (বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রক) ও স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রস্তাব দিয়েছে, তা কিছুটা এরকম—

ধাপে ধাপে চালু করে দেওয়া হোক স্কুল কলেজ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম ১৫ দিন দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা স্কুলে আসুক।
আলাদা আলাদা সেকশন ক্লাস করুক আলাদা আলাদা দিনে। অর্থাৎ কোনও স্কুলে যদি দশম শ্রেণিতে চারটি সেকশন থাকে তবে সেকশন এ আর সি নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে আসুক, বাকি দিনগুলিতে অন্য দুই সেকশন। স্কুল ২-৩ ঘণ্টার বেশি হবে না।
সব স্কুল চলবে বিভিন্ন শিফটে- সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা আবার বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টে। মাঝে স্যানিটাইজেশনের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি। সব মিলিয়ে পড়ুয়া ও শিক্ষাকর্মীদের ৩৩ শতাংশই একদিনে স্কুলে আসবেন।
যদিও প্রাথমিক বা তারও নীচের স্তরের পড়ুয়াদের এখন স্কুলে ডাকতে আগ্রহী নয় সরকার। তারা অনলাইনেই ক্লাস করবে।
দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস চালু হওয়ার পর শুরু হবে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির কয়েক ঘণ্টার জন্য ক্লাস।

যদিও করোনা পরিস্থিতি বিচার করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

https://bengali.news18.com/news/business/rbi-instructed-banks-not-to-open-current-account-for-customers-already-having-cash-or-credit-overdraft-facility-dc-483812.html

as they see an explsoion in patients suffering from tooth decay and gum disease after wearing face coverings

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও