ফাইল ছবি।

হাওড়া: বিধানসভা ভোটের মুখে হাওড়ায় দলবদলের জল্পনা আরও বাড়ালেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। হাওড়ায় দলের এক অনুষ্ঠানে সৌমিত্র খাঁ দাবি করেন, ‘‘শীঘ্রই অরূপ রায় বা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে কেউ একজন বিজেপিতে যোগ দেবেন।’’ যদিও সৌমিত্র খাঁয়ের এই মন্তব্য কানে যাওয়ার পরপরই অরূপ রায় একটি সংবাদমাধ্যমে স্পষ্ট বলেছেন, ‘‘আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। সাম্প্রদায়িক দল বিজেপিতে যাব না।’’

বিধানসভা ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এমনিতেই একদা তৃণমূলের হেভিয়েওট নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দলে টেনে ঘাসফুল শিবিরকে ‘জোর ধাক্কা’ দিয়েছে গেরুয়া শিবির। মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির শীর্ষ নেতা অমিত শাহের সভায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু।

তিনি নিজেই নন, তৃণমূলের হাফ-ডজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শুবেন্দু অধিকারী। মেদিনীপুরের সভায় তৃণমূলের ৬ বিধায়ক ছাড়াও শাসকদলের এক সাংসদ ও বাম-কংগ্রেসের আরও তিন বিধায়ক যোগ দেন বিজেপিতে।

দলবদলের রাজনীতিতে বিজেপি টেক্কা দিয়েছে তৃণমূলকে, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের মুখে হাওড়ায় দলের অনুষ্ঠানে গিয়ে আবারও দলবদল নিয়ে জোরদার দাবি বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের।

সম্প্রতি দলের লাইনের বিরুদ্ধে গিয়ে ‘বেসুরো’ আওয়াজ তোলেন হাওড়ার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন কারণে দলের একাংশের প্রতি অভিমান হয় তাঁর। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়।

যদিও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে দফায়-দফায় কথা বলা হয় রাজীবের সঙ্গে। রাজীবও দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। এরই পাশাপাশি হাওড়ার অন্যতম তৃণমূল নেতা অরূপ রায়ও নাকি তৃণমূলের একাংশের নেতাদের প্রতি রুষ্ট বলে খবর ছড়ায়।

বুধববার হাওড়ায় গিয়ে বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ দাবি করলেন, শীঘ্রই অরূপ রায় ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে কেউ একজন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন। যদিও সৌমিত্র খাঁয়ের সেই দাবি ফুৎকারে উড়িয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অরূপ রায়।

একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি সাফ বলেছেন, ‘‘আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। সাম্প্রদায়িক দল বিজেপিতে যাব না।’’ তবে সৌমিত্র খাঁয়ের এই দাবি ঘিরে হাওড়ার আরও এক তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।