সতীর্থের জেতা গাড়িতে চালক যখন ধোনি

কলকাতা: মহেন্দ্র সিং ধোনির বাইক ও গাড়ি প্রেম কারোর অজানা নয়৷ কিন্তু তা বলে বাস চালানো! ক্যাপ্টেন হিসেবে প্রথম টেস্টেই টিম বাসের ড্রাইভার সিটে বসেছিলেন মাহি৷ তিন দিন আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানানো ‘ক্যাপ্টেন কুল’-এর এই কর্মকাণ্ডে শুধু অবাক নয়, আতঙ্কিত হয়েছিলেন ভারতীয় দলে তাঁর সতীর্থরা৷

মাঠে প্রতিপক্ষকে অবাক করে দেওয়ার মতো একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ বাইশ গজে তাঁর নেতৃত্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে সারা বিশ্বে৷ কিন্তু মাঠের বাইরেও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সাহস দেখাতেন রাঁচির রাজপুত্র৷ এমনই এক ঘটনার কথা তুলে ধরেছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষ্ণণ৷ স্টার স্পোর্টস ক্রিকেটের একটি শো-তে এমনই এক ঘটনার কথা স্মরণ করেছিলেন ভিভিএস৷

অনিল কুম্বলের উত্তরসূরি হিসেবে ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্বের ব্যাটন হাতে পেয়েছিলেন ধোনি৷ এর আগে স্টপ-গ্যপ ক্যাপ্টেন হিসেবে দু-একবার দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন৷ কিন্তু ২০০৮ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচটি ছিল ক্যাপ্টেন হিসেবে ধোনির প্রথম টেস্ট৷ এই টেস্টেই চাঞ্চল্যকর সেই ঘটনা ঘটেছিল৷

লক্ষ্ণণ বলেন, ‘ধোনি তখন ভারতীয় দলের অধিনায়ক৷ কারণ অনিল (কুম্বলে) দু’টি টেস্ট আগে দিল্লিতে অবসরের ঘোষণা করেছিল। নাগপুর টেস্টেই ধোনির পুরোপুরি অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিল৷ সেবার ধোনি টিম বাসে উঠেই চালককে পিছনের সিটে গিয়ে বসতে বলেন৷ তারপর ও নিজে ড্রাইভ করে টিম বাসটিকে মাঠ থেকে থেকে নাগপুরের হোটেল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল৷ আমরা সকলেই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। টিম বাস চালাচ্ছে ভারতীয় দলের অধিনায়ক!’

ভেরি ভেরি হায়দরাবাদি স্পেশাল আরও বলেন, ‘এভাবেই ধোনি জীবন উপভোগ করত। ক্রিকেটার হয়ে ক্রিকেট মাঠে সবই করছিল, তবে মাঠের বাইরে সবকিছু ছিল স্বাভাবিক৷’ অর্থাৎ মাঠ ও মাঠের বাইরেও টিম ইন্ডিয়াকে চালিত করতেন মাহি৷ আর এভাবেই দেশকে এনে দিয়েছে দু’টি বিশ্বকাপ৷

নাগপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চার ম্যাচের সিরিজের শেষ টেস্ট ছিল৷ টেস্টে প্রথমবারের মতো ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব ধোনি প্রথম ইনিংসে ৫৬ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৫ রান করেছিল৷ যদিও অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচটি ১৭২ রানে এবং সিরিজ ২-০ জিতে নিয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।