বেঙ্গালুরু: দিনের পর দিন এক ভূতুড়ে হাসিতে বুক কাঁপে পরিবারের। দিন নেই, রাত নেই নারকেল গাছের মাথা থেকে ভেসে আসে এক শিশুর হাসি। ভয়ে নাভিঃশ্বাস উঠে যাচ্ছিল কর্ণাটকের উদুপির ওই পরিবারের। অগত্যা ছুটতে হল ওঝার কাছে। জ্যোতিষীও বাদ গেল না। জ্যোতিষী গুনে টুনে স্পষ্ট বুঝতে পারলেন, অশুভ আত্মারই কাজ এটা। কোনও শিশুর আত্মা ঘুরে গিরে বেড়াচ্ছে বাড়ির চারপাশে। তারই হাসি ভেসে আসছে বারবার।
আর কি, শুরু হল যাগযজ্ঞ। উদুপির বাসিন্দা গোবিন্দা ও তাঁর পরিবারের রাতের ঘুম গেল উড়ে। চলল পূজা-অর্চনাও। কিন্তু, কিছুতেই কিছু লাভ হল না। হাসি বেড়েই চলল দিনে দিনে। সেইসময় ‘কাহানি মে টুইস্ট’। বাড়িতে এলেন সেনা পূজারি নামের এক ব্যক্তি। তিনি মাঝেই মাঝেই ওই বাড়িতে আসেন ও গাছ থেকে নারকেল পেড়ে দেওয়ার কাজ করেন। কিছুদিন আগেও এসেছিলেন একবার। তারপর নিজের মোবাইল ফোনটা হারিয়ে ফেলেন পূজারি। আদতে সেই ফোনই ছিল নারকেল গাছের মাথায়। তার কল্যাণেই এই ভূতুড়ে কারবার। প্রতিদিন কাজ থেকে সন্ধেয় বাড়ি ফিরে বাড়ির অন্য লোকজনের মোবাইল থেকে ফোন করতেন নিজের নম্বরে, আর নারকেল গাছের মাথায় শিশুর হাসির রিংটোন। নারকেল গাছ খুঁজে পাওয়া গেল সেই ফোন। রহস্যের সমাধান।
সব শেষে জ্যোতিষীর বাযি গিয়ে কথা শুনিয়ে আসতেও ছাড়েননি।

দেশ-বিদেশের আরও খবর:

১.দেশের ৩০% আইনজীবীই ভুয়া, জানাল বিসিআই

২.ইনিই দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী মহিলা

৩.‘ট্যুইটার’ হাতিয়ারে ললিত ইস্যুতে সাফাই সুষমার

৪.‘ক্রশ’ নিয়ে প্রি-মেডিক্যালে বসতে বাধা সন্ন্যাসিনীকে

৫.সল্টলেকে নারী পাচার: বাড়ির মালিককে তলব কমিশনারেটের