স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অগাস্টে রেশনে চালের সঙ্গে গমও দেবে রাজ্য সরকার। একথা জানালেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি জানান, গুদামে পড়ে থেকে থেকে নষ্ট হতে বসেছে হাজার হাজার টন গম। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লকডাউনে খাবারের জোগান দিতে গত এপ্রিল থেকে রেশনে বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা যোজনার অন্তর্ভুক্ত রেশন কার্ড গ্রাহকদের জন্য চাল, আটা, ডাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

রাজ্য সরকারও তাদের খাদ্য সুরক্ষা যোজনা অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকদের বিনামূল্যে চাল এবং আটা দিচ্ছে। এবার আগামী অগস্ট থেকে জাতীয় এবং রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনার গ্রাহকদের গম দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার একযোগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

তিনি জানিয়েছেন, মজুত গম বিলি না করলে তা নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে অপচ হবে বিপুল পরিমাণ খাদ্য শস্যের। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, মন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের হাতে পর্যাপ্ত চাল রয়েছে। কিন্তু গুদামগুলিতে জমে থাকা প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা মূল্যের গম এখনই বিলি না করলে তা নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে গম বিলি করতেই হবে। তিনি বলেন, চালের বরাদ্দ কিছুটা কমিয়ে সেখানে গম দেওয়া হবে। তবে মোট খাদ্যশ্যের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ চাল ও গম মিলিয়ে মিলবে ৫ কিলোগ্রাম শস্য।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন, চলতি বছরের নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্রকল্পে দেশের ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। তাতে প্রত্যেক পরিবারে জনপ্রতি ৫ কেজি চাল বা গম ও প্রতি মাসে ১ কেজি করে ছোলা দেওয়া হবে।

আর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরপরই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ‘কেন্দ্র নভেম্বর পর্যন্ত দিলে দিক, আমরা আগামী বছর জুন মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেব।’ সেইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রেশন নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, ‘ওনারা এফসিআই থেকে যে চাল নেন এবং মানুষকে দেন, তার গুণগত মান অত্যন্ত খারাপ। আমরা যেটা দিই, সেটা অনেক ভালো। কারণ আমরা চাষিদের থেকে চাল নিই।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I