নয়াদিল্লি : ধরা যাতে না পড়ে, সেজন্য হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করা হত। ভারতীয় গোয়েন্দাদের এই তথ্যই দিল বহিষ্কৃত দুই পাকিস্তানের দূতাবাস কর্মী, যারা পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করছিল বলে খবর। এদের আগেই শনাক্ত করছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিক থেকে এদের ধরার জন্য ফাঁদ পাতেন গোয়েন্দারা। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে তথ্য যে পাচার করা হচ্ছে, তা জানতে পারেন গোয়েন্দারা।

আবিদ হুসেন ও তাহির খানকে সেই হোয়াটসঅ্যাপেই ফাঁদ পেতে ধরেন তাঁরা। সেনার অপেক্ষাকৃত কমবয়েসী অফিসারদের টার্গেট করেছিল এই দুই ব্যক্তি। তাদের থেকে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করা হত বলে খবর। সেনাবাহিনীর জওয়ানদের যাতায়াতের রুট, কি কি অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে বা আমদানি করা হচ্ছে, তা জানার চেষ্টা করা হত।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে তাঁদের। কূটনীতিক হিসেবে বিশেষ রক্ষাকবচের অপব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে নানা গোপন তথ্য সরবরাহ করত ধৃতরা। গোপনে সেই সব তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তাঁরা। দিল্লি পুলিশ সম্প্রতি ওই দু’জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই দু’জনকেই ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি জারি করে পাকিস্তান দূতাবাসের ওই দুই কর্মীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকেও কড়া বার্তা পাঠিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। ভারতের তরফে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে পাক রাষ্ট্রদূতকে। দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তান দূতাবাসের ওই দুই আধিকারিক আবিদ হুসেন ও তাহির খান পাক হাই কমিশনের ভিসা বিভাগের কর্মী।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।