নয়াদিল্লি: ভারতে ৪০০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীদের সমালোচনার মুখে পড়ে পিছু হঠল মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এই অ্যাপের তরফে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক পলিসি আপডেটে ফেসবুকের সঙ্গে ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত ডেটা শেয়ার করবে না এবং এই ইস্যুতে সমস্ত প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, কদিন আগেই নয়া প্রাইভেসি পলিসি প্রত্যাহারের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদী সরকার চিঠিতে লিখেছিল, ‘ভারতীয় ব্যবহারকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা এবং ডেটা সংক্রান্ত সুরক্ষাকে নিশ্চিত করুন। ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য মেসেজিং পরিষেবা সংক্রান্ত প্রাইভেসি পলিসি-র সাম্প্রতিক নয়া শর্তগুলি প্রত্যাহার করুন’।

আরও পড়ুন – আজকের দিন আসবে ১০০ বছর পরে, দেখে নেওয়া যাক বিশেষত্ব

কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রক হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল, তারা যেন দ্রুত রাইভেসি পলিসি সংক্রান্ত বদল থেকে সরে আসে। কারও ব্যক্তিগত তথ্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যসুরক্ষায় হস্তক্ষেপ যেন না করে WhatsApp। পাশাপাশি, এই মেসেজিং অ্যাপে ইউজারদের তথ্য কতটা সুরক্ষিত, তাও জানতে চেয়েছে কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি নয়া পলিসি কার্যকর করার কথা ছিল হোয়াটসঅ্যাপের। কিন্তু আপাতত তেমনটা হচ্ছে না। হোয়াটসঅ্যাপ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এই আপডেটটি ফেসবুকের সঙ্গে ডেটা ভাগ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে না। আমাদের উদ্দেশ্য হ’ল স্বচ্ছতা এবং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য নতুন বিকল্পগুলি খোলা। যাতে তারা তাদের গ্রাহকদের সমস্ত পরিষেবা দিতে পারে ও ব্যবসা বাড়াতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ সর্বদা এন্ড-টুএন্ড এনক্রিপশন সহ ব্যক্তিগত মেসেজকে সুরক্ষা দেয় যাতে হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক তাদের দেখতে না পারে। “

উল্লেখ্য, ৬ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপ টুইট করে জানিয়েছিল, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ফেসবুক ও থার্ড পার্টির সঙ্গে তাঁরা তথ্য শেয়ার করবে। এরপরেই শুরু হয় বিতর্ক। কিছু লোক দাবি করেন, হোয়াটসঅ্যাপের নানান গ্রুপের ছবি নাকি গুগুল-এও দেখা যেতে শুরু করে। ফলে বিভ্রান্তি চরমে ওঠে। শেষমেশ আসরে নামতে হয় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষকেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।