যোধপুর: কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৫ বছরের জন্য ১০৬ নম্বর কয়েদি হয়ে শ্রীঘরের হাওয়াতেই জীবনযাপন করতে হবে ভাইজানকে৷ কোনও তারকাসুলভ আচরণ যেমন তার মেনে নেওয়া হবে না, তেমনই বিশেষ কোনও সুবিধাও তিনি পাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে৷ তবে কড়া নিরাপত্তার মোড়কে রয়েছেন বলিউডের টাইগার৷

জেলে A ক্যাটেগরিতে তাকে রাখা হয়েছে৷ আর তাকে রাতে খুবই সাধারণ খাবারই দেওয়া হয়েছিল৷ জেল ম্যানুয়াল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে অন্যান্য বন্দিদের বেগুণের তরকারি, ডাল এবং রুটি দেওয়া হয়৷ তবে সলমনকে বেগুণের পরিবর্তে দেওয়া হয় বাঁধাকপি৷ কিন্তু এর কোনওটিই মুখে তোলেননি সলমন৷

জেলের বন্দিদের সপ্তাহে একদিন মিষ্টি দেওয়া হয়ে থাকে৷ তবে হোলি, দিপাবলী, ইদ এবং ১৫ অগস্টে হালুয়া তৈরি হয় তাদের জন্য৷ তবে সলমন চাইলে পৃথভাবে দুধ, কর্ণফ্লেক্স, গ্লুকন ডি, ফ্রুট জুস, শরবত, মিক্স জ্যাম, ছাঁচ দই, কোনও একটি ঋতুভিত্তিক ফল কিন্তু পারেন৷ কয়েদিরা নিজেদের উপার্জন থেকে এই সব কিনতে পারে৷

রাজস্থানের জেল ডিপার্টমেন্টের নোটিফিকেশন অনুযায়ী, বন্দিরা তিনটি ভাগে বিভক্ত৷ এতে Convicted Criminal Prisoners-কে A, B এবং C-তে ভাগ করা হয়৷ আর এই A বিভাগেই রাখা হয়েছে সলমন খানকে৷