কলকাতা: একে করোনা পরিস্থিতি। তার মধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে আজ গ্রেফতার মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), সুব্রত মুখোপাধ্যায় (Subrata Mukherjee), বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sobhan Chatterjee)। নারদা মামলায় গ্রেফতার এই চারজন হেভিওয়েট নেতাকে। রাজ্য রাজনীতি আজ এই নিয়ে তোলপাড়।

কোভিড পরিস্থিতি যে হারে চোখ রাঙাচ্ছে তাতে এই সময় এই পদক্ষেপের প্রাসঙ্গিকতা এবং যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। দেশজুড়ে যখন অক্সিজেন সিলিন্ডার এর অভাব, হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেডের অভাব তখন এই চটজলদি সিবিআই হানা ও গ্রেফতারের পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধির গন্ধ পেয়েছে অনেকেই। প্রশ্ন উঠছে নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত তিনজন নেতা যারা বর্তমানে বিজেপিতে তাদের কেন গ্রেফতার করা হল না। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikary) মুকুল রায় (Mukul Ray) এবং শঙ্কুদেব পন্ডা (Shankudeb Panda)-কে কেন গ্রেফতার করল না সিবিআই, আজকে যখন তারাও একই দোষে দুষ্ট।

নিজাম প্যালেসের সামনে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ এবং অবরোধে জারি রয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ভেঙে দিয়েছেন বিজেপির পার্টি অফিস। জেলায় জেলায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ এবং অবরোধে শিকেয় উঠল লকডাউন ও কোভিড প্রোটোকল। বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন দেশবাসী প্রাণ সংকটের আতঙ্কে ভুগছে, তখন স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কথা না ভেবে, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের জোগানের কথা না ভেবে ঠিক কোন অভিসন্ধিতে এই চারজনকে গ্রেফতার করাকে এত গুরুত্ব দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টলিউডের একাংশ। টলিউডের অন্দরমহলে কেউ কেউ বলছেন ভোটে হেরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে(Mamata Banerjee) নানাভাবে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছেন। অভিনেত্রী এবং তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty) টুইট করে লেখেন, “সিবিআই এখন? তারা কি ভ্যাকসিন নিয়ে আসছে?”

অভিনেতা অনিন্দ্য চাটার্জি (Anindya Chatterjee) টুইটে কটাক্ষ করে লিখেছেন, “ছোটবেলায় সেই দাদাটাকে মনে আছে ? যার ব্যাট আর উইকেট নিয়ে খেলা হতো । আউট হলে আউট দিত না । বেশিক্ষণ ব্যাট করতো । ম্যাচে হারলে ঝগড়া করতো আর ব্যাট উইকেট নিয়ে বাড়ি চলে যেত ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.