মাসেও ওই চারটে দিন মানেই মহিলাদের কাছে আতঙ্ক। একে তো পেট ব্যথা। তার উপর রোজকার কাজও করতে হবে। বিরাম নেই এতটুকু। তাই মাসের ওই সময়টা চাই উপযুক্ত আহার। যা মাসিকের সময় আপনাকে বাড়তি পুষ্টি জোগাবে। পাশাপাশি দেহকে পরিশ্রম করার শক্তিও দেবে। তবে শুধু ওই দিনগুলোই শরীরকে পুষ্টি দিলে হবে না। গোটা মাসই ডায়েট চার্ট মেনে চলতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় বিশেষ কিছু খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। তার মধ্যে অবশ্যই থাকবে ভিটামিন ও মিনারেলস। মাসিকের প্রথম তিন থেকে ছয় দিন সবচেয়ে কঠিন সময় মেয়েদের কাছে। এই সময় ক্লান্তি আর অবসাদ শরীরে জেঁকে বসে। তার উপর তো পেট ব্যথা, মাসল ক্র্যাম্পিং ইত্যাদি রয়েইছে। মূলত হরমোনের তারতম্য জন্যই এমনটা হয়। এই সময় ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়। তাই সঠিক ডায়েট এই সময় অত্যন্ত জরুরি।

এই সময় সবচেয়ে প্রয়োজন আয়রন। এটি লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। পিরিয়ডে রক্তক্ষরণের ফলে আয়রনের মাত্রা হ্রাস পায়। তাই এই সময় মাছ, মাংস, ডিম, সবজি ইত্যাদি খাওয়া প্রয়োজন তবে তারপরই আবার আয়রন খাওয়া কমিয়ে দেবেন না। সারা মাসই কমবেশি আয়রন যুক্ত খাবার খান। তার পাশাপাশি ভিটামিন সি-ও প্রয়োজন শরীরের। এটি আন্টি অক্সিড্যান্ট। তাই সবুজ শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল অবশ্যই খান। সম্ভব হলে দিনে একটা করে আমলকি বা পেয়ারা খেতে পারেন। এতে উপকার হবে।

মাসের এই কয়েকটা দিন চা ও কফি এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করুন। বিশেষত কফি। কারণ কফিতে থাকে ক্যাফাইন। কারণ এই উপাদান দেহে আয়রনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এছাড়াও ক্যাফিন হল একপ্রকার ভ্যাসোকোনস্ট্রিক্টর। এটি পেটে মাসল ক্র্যাম্পিংয়ের অন্যতম কারণ। তাই কফি বা চায়ের বদলে জোর দিন শাকসবজি ও ফলে। এই সময় খেতে পারেন ড্রাই ফ্রুটস। খেঁজুর, কিসমিস ইত্যাদি খাবার আপনার দেহকে আয়রন সরবরাহ করে। এছাড়া এগুলি ক্যালোরির জোগান দেয়।

পিরিয়ডের সময় অনেকে নড়াচড়া করতে অস্বস্তি বোধ করেন। নেহাত যেটুকু না করলে নয়, সেটুকুই। তাই এই সময় সম্ভব না হলেও মাসের বাকি সময় হালকা ব্যায়াম করুন। সবচেয়ে ভাল হয় নিত্য হাঁটাহাঁটি করলে। বিভিন্ন স্ট্রেচিং করতে পারেন। এছাড়া রুটিনে রাখতে পারেন সূর্য নমস্কার বা প্রাণায়াম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।