নয়াদিল্লি: মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী মহাথীর মহম্মদ গত সপ্তাহেই জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর দেশ থেকে পণ্য পরিষেবা কর ( জিএসটি) তুলে দেওয়া হচ্ছে৷ এই কর ব্যবস্থায় জনগ্রন এতটাই বীতশ্রদ্ধ যে ভোটের আগে এমনটাই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল৷ তবে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এমন ঘটনা দেখে ভারত কতটা শিক্ষা নিচ্ছে ৷

প্রথমত মালয়েশিয়া এই কর ব্যবস্থা ভারতের কাছে যথেষ্ঠই প্রাসঙ্গিক যেহেতু সে দেশে পণ্য পরিসেবা কর ব্যবস্থা এদেশের তুলনায় অনেক উন্নত ৷ তাছাড়া রাজনৈতিক দিক থেকেও এই কর ব্যবস্থা চরণ মূল্য দিতে হয়েছে নাজিব রাজাক সরকারকে ৷ মাস খানেক আগে মহাথীর মহম্মদ ক্ষমতায় ফিরেছেন একেবারে এই কর ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ায়৷

দ্বিতীয়ত, মালয়েশিয়াতে যখন ২০১৫ সালে জিএসটি চালু করা হয় তখন থেকেই আগে দেওয়া কর চূড়ান্ত করের দায় থেকে বাদ দেওয়া হত৷ যদিও বেশির ভাগ ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা এই বিষয়টি ভাল ভাবে বুঝতে পারত না বরং তাদের মধ্যে ধন্দ সৃষ্টি হয়৷ তাছাড়া মালয়েশিয়ায় জিএসটি যেভাবে বেশির ভাগ জিনিসের উপর চাপিয়ে ছিল তাতে দাম বেড়েছিল বলেই ক্ষুব্ধ জনগন৷

তৃতীয়ত মালয়েশিয়ায় একটি মাত্র ৬ শতাংশ হারে সমস্ত পণ্য ও পরিষেবার উপর কর বসান আছে ৷ যেখানে ভারতে এখন চারটি ধাপ- ৫ %, ১২%,১৮% এবং ২৮% ফলে অবস্থা আরও জটিল৷

চতুর্থত কর বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ভারতের পণ্য পরিষেবা কর ব্যবস্থা স্থিতিশীল করতে আরও সংস্কার দরকার৷ জিএসটি-র আওতায় এখন মোটামুটি ৭০ শতাংশ এবং ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের তাদের ব্যবস্থার আরও পরিবর্তন করতে হচ্ছে নয়া করা ব্যবস্থা চালু করতে হচ্ছে৷ তাছাড়া জিএসটি সাফল্য নির্ভর করছে তথ্য প্রযুক্তি নেটওয়ার্কিং আরও জোরদার করার উপর৷