স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অসমে চূড়ান্ত খসড়া থেকে বাদ পড়েছে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম৷ যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা দেশে৷ দেখে নেওয়া যাক, এবিষয়ে কী বলছেন পশ্চিমবঙ্গের শাসক-বিরোধী দলের নেতারা৷

অধীররঞ্জন চৌধুরী(সভাপতি ও সাংসদ, প্রদেশ কংগ্রেস): যাঁরা বছরের পর বছর ধরে অসমে আছেন তাঁদের নাম তালিকায় নেই৷ আশ্চর্যের বিষয় তালিকায়স্বামীর নাম আছে তো বউয়ের নাম নেই৷ বউয়ের নাম আছে তো ছেলের নাম নেই৷ যাঁরা ভোট দিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছেন তাঁদের নামই নেই৷ এনআরসির নাম করে সাম্প্রদায়িক যে বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছে তা অসম ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকারক৷

সুজন চক্রবর্তী(পরিষদীয় দলনেতা, বামফ্রন্ট): বিজেপি সর্বদা বাঙালি বিরোধী৷ ওরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করেছে৷ ওরা বিভাজন করা চেষ্টা করছে৷ গতবার লোকসভা নির্বাচনের সময় ওরা মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ২০১৪ সালের আগে যাঁরা এদেশে এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে৷ জেতার পর সেসব কথা ওরা ভুলে গিয়েছে৷

সুখেন্দুশেখর রায়( রাজ্যসভার সাংসদ, তৃণমূল): ওরা বলছে যা কিছু করছি সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারে করছি৷ এসব বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে৷ ওরা অবৈধ কাগজ বের করেছে তাতে আপত্তি নেই কিন্তু ৪০ মানুষকে বের করে দেওয়া যাবে না৷ তৃণমূল কংগ্রেস শুধু এটার নিন্দা করছে না৷ ভবিষ্যতে বড় আন্দোলন করতে চলেছে৷

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়(লোকসভার দলনেতা, তৃণমূল): যে বিষয় নিয়ে আন্দোলন সেটা কোনও রাজনৈতিক সীমা রাখছে না৷ ৪০ লক্ষ মানুষকে এতালিকাভুক্ত না করা ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ, অমানবিক৷ কোনও মতে সমর্থন করা যাবে না৷ বিভিন্ন রাজনৈতিক যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সারা দিয়ে এগিয়ে এসেছেন তার জন্য তাদের ধন্যবাদ৷

বাবুল সুপ্রিয়(সাংসদ, বিজেপি): অসম এবং বাংলার পরিস্থিতি অনেকটাই একইরকম৷ এপারের মহাজন ১০০গঙ্গার পাড়ে শরনার্থী শিবির তৈরি হয়েছে৷ প্রথমে বামেরা এটাকে ভোট ব্যাঙ্ক বানিয়েছে৷ এখন তৃণমূল সেই ভোট ব্যাঙ্ককে ব্যবহার করছে৷ মমতাদি টেনশনে আছেন বুঝতে পারছি৷