ওয়াশিংটন: মহাশূন্য জুড়ে ছড়িয়ে আছে নানা রহস্য। আর প্রতিনিয়ত তা খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। আর এইভাবে খুঁজতে খুঁজতেই এক অদ্ভুত দর্শন বস্তুর দেখা পেয়েছে নাসা। এটাই নাকি মানুষের দেখা সবথেকে দূরের বস্তু।

বছর কয়ে আগে এই বস্তুটি আবিস্কার করে নাসা। কিন্তু সম্প্রতি তার নতুন নামকরণ করল মার্কিন এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। স্নো-ম্যানের মত দেখতে ওই বস্তুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘আরোহকোধ’। আমেরিকার এক আদিবাসী সম্প্রদায় আকাশকে এই নামে ডাকে। তাই সেই নামই দেওয়া হল বস্তুটিকে।

নাসার নিউ হরাইজন স্পেসক্রাফট এই বস্তুটির পাশ দিয়ে উড়ে গিয়েছে। প্লুটোতে পৌঁছনোর সাড়ে তিন বছর বাদে এই বস্তু দেখতে পায় নাসা। তখন এই বস্তুর নাম দেওয়া হয়েছল ‘আলটিমা থুলে।’ এটি প্লুটো থেকে ১০০ কোটি মাইল দূরে রয়েছে অর্ধাৎ পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব অনেক।

মহাকাশে রহস্য সন্ধানের উৎসাহ দিচ্ছে এই বস্তুটু। তাই আকাশের নামে এর নামকরণ করা হয়েছে বলে জানালেন আলান স্টার্ন নামে এক বিজ্ঞানী।

মেরিল্যান্ডের হপকিনস ইউনিভার্সিটি এই নিউ হরাইজন স্পেসক্রাফট অপারেট করে। ২০১৪ তে প্রথম হাবল স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়ে ‘আরোহকোধ’। এটি আসলে জমাট বাঁধা বরফ। তাই একে টেলিস্কোপে অনেকটা স্নোম্যানের মত দেখতে লাগে।