neel trina

কলকাতা: টিন্ডার বা অন্য কোনো ডেটিং সাইটের যুগে, যেখানে প্রেম ভাঙা গড়া নিছক সামান্য ব্যাপার, সেখানেও কিছু মানুষ তাঁদের সম্পর্ককে লং রানেই নিয়ে যেতে চায়। তেমনই এই মুহূর্তে ছোটপর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় রিয়েল লাইফ কাপেল নীল ও তৃণা। দুজনেই দুটো লিডিং চ্যানেলের সবচেয়ে টিআরপি পাওয়া দুই সিরিয়ালের মুখ।

১০ বছরের সম্পর্ক পরিণতি পেয়েছে গত ৪ ফেব্রুয়ারি। এই দিন নীল ও তৃণার বিয়েতে বসেছিল চাঁদের হাট। তৃণার গ্র্যান্ড এন্ট্রি হয়েছিল তপসিয়ার অর্কিড গার্ডেনে নৌকা করে। সেদিন তৃনীল জুটির প্রাণে ছিল ধোপদুরস্ত বাঙালি পোষাক। খাওয়া দাওয়াতেও ছিল,বাঙালিয়ানার স্বাদ। বাসন্তী পোলাও,মটন কষা,ভেটকি মাছের পাতুরি,চিংড়ি মাছের মালাইকারি আরও কত কি !

আর এবার হল এই জুটির গ্র্যান্ড রিসেপশন।

তৃণার পরনে ছিল গাঢ় লাল রঙের লেহেঙ্গা। হাতে গলায় সোনার গয়না আর মাথায় মোটা করে সিঁদুর। নীল পরেছিলেন মেরুন শেরওয়ানি। কাঁধে ঝুলিয়েছিলেন সোনালি রঙের উত্তরীয়।

এদিন অনুষ্ঠান স্থল সেজে উঠেছিল লাল সাদা কাপড়ে। সাদা কাপড়ের উপর লাল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল।বড় মঞ্চে নবদম্পতির বসার জায়গা করা হয়েছিল। বড় পর্দায় চলছিল বিয়ের দিনের ভিডিয়ো। উপস্থিত ছিলেন টি-টাউনের অলটাইম ডিভা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শঙ্কর চক্রবর্তী,ঈশা সাহা,অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা সহ আরও তারকারা।

neel trina ankush oinderila

খাবারে,নানা ধরণের ফলের রস, গরম গরম পাস্তা,শুরুর পাতে মাটন গলৌটি কাবাব থেকে পনীর টিক্কা কাবাব।
১১ রকমের স্রেফ সালাড! গ্রিন সালাড, ব্রকোলি সালাড, ইত্যাদি ! ‘মেইন কোর্স’-এ নিরামিশাষী ও আমিশা‌ষীদের জন্য আলাদা আয়োজন । বাটার নান, রুমালি রুটি, ডাল মাখানি, ফিশ ফ্রাই, মটন বিরিয়ানি, চিকেন চাপ, বাসমতি রাইস, মুরগির কষা মাংস, চিংড়ি।

নিরামিশাষীর পাতে পড়েছিল বাটার নান, রুমালি রুটি, ডাল মাখানি, পনীর পসন্দ, খুশখা পোলাও, বাসমতি রাইস, আলু-গোবি কষা, ইত্যাদি। মিষ্টি মুখে ছিল আলু বোখরার চাটনি,পাঁপড়, গাজরের হালুয়া, সন্দেশ ক্ষীর সহযোগে কেসরি জিলিপি, ভ্যানিলা আইসক্রিমের সঙ্গে টাটকা ফল আর পান।

আবার এই দিন জন্মদিন ছিল,টলিউডের ম্যাজিকাল জুটির অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা’-র অঙ্কুশের। নীল তৃনার গ্র্যান্ড রিসেপশনের পাশাপাশি অঙ্কুশের জন্মদিনও সেলিব্রেট করা হলো স্টেজে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।