নয়াদিল্লি : জম্মু-কাশ্মীরে প্রবেশ করেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ সহ উত্তর, পশ্চিম ভারতে বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এর জেরে দেখা যাচ্ছে উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্যের তাপমাত্রা বেড়েছে। হয়তো শীতের প্রভাব কমেনি কিন্তু বড় প্রভাব রয়েছে বেশিরভাগ স্থানেই।

রবিবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনগরে মাইনাস ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, লখনউতে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জয়পুরে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ইম্ফলে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিব্রুগড় ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডাল্টনগঞ্জে ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জামশেদপুরে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাঁচিতে ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ভাগলপুরে ১১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পূর্ণিয়ায় ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গয়ায় ১০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনগরে মাইনাস ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, লেংপুইতে ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, লখনউতে ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জয়পুরে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ইম্ফলে ৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চেরাপুঞ্জিতে ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডাল্টনগঞ্জে ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জামশেদপুরে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাঁচিতে ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্বারভাঙ্গায় ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দেহরিতে ৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গয়ায় ৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ ঝঞ্ঝার জেরে সর্বত্রই তাপমাত্রা বেড়েছে তা স্পষ্ট এই তথ্যেই।

নতুন বছরের প্রথম মাসের বেশিরভাগ সময়ই কেটে গিয়েছে তবুও ঠান্ডা কিছুতেই কমছেনা৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ছে আরও। মূলত উত্তর ভারত কড়া ঠান্ডায় কাবু হয়ে রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাতের কারণেই আরও জাঁকিয়ে বসছে শীত। এদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম পূবালি হাওয়ার জলীয় বাষ্প নিয়ে রাজ্যে প্রবেশ করায় বাড়বে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি। উত্তর-পূর্ব ভারতের উপর তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার জেরে রাজ্যে প্রবেশ করতে পারছে না উত্তুরে হাওয়া। যার জেরে বাড়তে পারে কলকাতা সহ রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তের তাপমাত্রা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।