ব্রিসবেন: শন মার্শের দুরন্ত শতরানে ভর করে চলতি মরশুমের মার্শ কাপ জিতে নিল ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালে কুইন্সল্যান্ডকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে অ্যাস্টন টার্নাররা।

টস জিতে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ব্যাট করতে ডাকে কুইন্সল্যান্ডকে। ৪৯.৩ ওভারে কুইন্সল্যান্ড অল-আউট হয়ে যায় ২০৫ রানে। একক লড়াই চালান জেজে পিয়েরসন। ঝাই রিচার্ডসন ও ন্যাথন কুল্টার-নাইল নজরকাড়া বোলিং করেন।

পালটা ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ৪৮ ওভারে ৬ উইকেটে বিনিময় ২১০ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। অনবদ্য শতরান করেন শন মার্শ। মিডল অর্ডারে মার্কাস স্টোইনিস ও লোয়ার অর্ডারে অ্যাস্টন এগর যথাযথ সহায়তা করেন শন মার্শকে।

কুইন্সল্যান্ডের উইকেটকিপার পিয়েরসন সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে হাফ-সেঞ্চুরি করেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ রান করে আউট হন তিনি। ৮৩ বলের আগ্রাসী ইনিংসে ৬টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন পিয়েরসন। ক্যাপ্টেন উসমান খোওয়াজা ২৬ রান করে আউট হন। এছাড়া ম্যাট রেনশ ১৯ রানের যোগদান রাখেন। ২৯ রান করেন স্ট্রিট। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন রিচার্ডসন ও কুল্টার-নাইল। স্টোইনিস, এগর ও ডার্সি শর্ট নেন ১টি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১৭ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফট ও ডার্সি শর্কের উইকেট হারিয়ে বসে। ব্যানক্রফট ৮ ও শর্ট ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ক্যাপ্টেন টার্নার আউট হন ৩ রান করে। স্টোইনিস ৩৭, কার্টরাইট ৫ ও গ্রিন ৭ রান করে আউট হন। এগরকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শন মার্শ। এগর নট আউট থাকেন ব্যক্তিগত ২৯ রানে। মার্শ অপরাজিত থাকেন ১০১ রান করে। ১৩২ বলের ইনিংসে তিনি ১৩টি বাউন্ডারি মারেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন মার্শ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও