সাউদাম্পটন: দ্বিতীয়দিন জেসন হোল্ডার-শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের ম্যাজিক স্পেলে প্রথম ইনিংসে ২০৪ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর তৃতীয়দিন অ্যাজাস বোলে প্রথম ইনিংসে রানের নিরিখে ইংল্যান্ডকে টপকে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রেগ ব্রাথওয়েটের অর্ধশতরান, শামার ব্রুকসের ৩৯ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে লিড নিল ক্যারিবিয়ানরা।

এক উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে দ্বিতীয়দিন খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম সেশনে ইংরেজ পেসারদের চোখে চোখ রেখে দারুণ লড়াই করেন ওপেনার ব্রাথওয়েট ও শাই হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রান যোগ করে ব্যক্তিগত ১৬ রানে আউট হন হোপ। এরপর ব্রাথওয়েটের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ব্রুকস। অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর দীর্ঘস্থায়ী হয়নি ব্রাথওয়েটের ইনিংস। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রান যোগ করার ব্যক্তিগত ৬৫ রানে আউট হন তিনি। এদিন প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলে লাঞ্চে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিরতির পর খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ব্রুকসের ইনিংস। ৩৯ রানে অ্যান্ডারসনের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। ১২ রানে ডমিনিক বেসের শিকার হয়ে ফেরেন ব্ল্যাকউড। ১৮৬ রানে ৬৫ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হাল ধরেন রস্টন চেজ এবং শেন ডাউরিচ। এই দুই ব্যাটসম্যানের হাত ধরে তৃতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে ইংল্যান্ডকে টপকে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চা-পানের বিরতিতে উইন্ডিজের রান ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫। অর্থাৎ, ইংল্যান্ডের চেয়ে আপাতত ৩১ রানে এগিয়ে তাঁরা। ক্রিজে ৩০ রানে অপরাজিত ডাউরিচ। ২৭ রানে নট আউট চেজ।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয়দিন অধিনায়জ জেসন হোল্ডারের ৬ উইকেট এবং শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের ৪ উইকেটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২০৪ রানে গুটিয়ে দেয় ক্যারিবিয়ানরা। ম্যাজিক স্পেলের পাশাপাশি আম্পায়ারের একাধিক নট-আউটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সবক’টি ক্ষেত্রে উত্তীর্ণ হন উইন্ডিজ অধিনায়ক। হোল্ডারের স্পেলের সামনে ষষ্ঠ উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন ইংল্যান্ডের দুই অধিনায়ক স্টোকস এবং বাটলার। তবে পার্টনারশিপ ৬৭ রানের বেশি স্থায়ী হয়নি।

দলীয় ১৫৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত অর্ধশতরান থেকে ৭ রান দূরে হোল্ডারের শিকার হন স্টোকস। স্টোকসের ৪৩ রানই ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ। শেষদিকে ডমিনিক বেসের মূল্যবান ৩১ রানে ইংল্যান্ডকে দু’শো রানের গন্ডি পার করতে সাহায্য করে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ