চেন্নাই: শাই হোপ ও শিমরন হেটমেয়ারের জোড়া শতরানে চেন্নাইতে প্রথম ম্যাচে জয়। যার ফলে তিনম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই কোহলিদের পিছনে ফেলে দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু পোলার্ডদের ম্যাচ জয়ের আনন্দে কিছুটা তাল কাটল ম্যাচ রেফারির কড়া নিদান। যদিও তার দায়ভার অবশ্যই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের। স্লো ওভাররেটের কারণে অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড সহ ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রত্যেক ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি’র ৮০ শতাংশ জরিমানা করলেন ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন।

উল্লেখ্য, চিপকে স্লো ওভাররেটের কারণে আইসিসি’র কোড অফ কন্ডাক্ট অনুযায়ী আর্টিকল ২.২২ ধারা লঙ্ঘন করে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট দল। বরাদ্দ সময়ের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলাররা রবিবার চার ওভার কম বল করে বলে অভিযোগ। ম্যাচ শেষেই তাঁর দলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের দায়ভার স্বীকার করে নেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক এবং সমস্ত শাস্তি মাথা পেতে নেওয়ায় ঘটনায় শুনানির কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানান ম্যাচ রেফারি।

আরও পড়ুন: হেটমায়ার-হোপের জোড়া শতরানে চিপকে দুরন্ত জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

উল্লেখ্য, রবিবারের ম্যাচে দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিতিন মেনন ও শন জর্জ, থার্ড আম্পায়ার রডনি টাকার ও ফোর্থ আম্পায়ার অনিল চৌধুরির রিপোর্টের ভিত্তিতে পোলার্ড সহ বাকি ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের দোষী সাব্যস্ত করেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন। প্রতি ওভারের জন্য ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি’র ২০ শতাংশ করে জরিমানার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। অর্থাৎ, বরাদ্দ সময়ের মধ্যে চার ওভার কম বল করায় ম্যাচ ফি’র ৮০ শতাংশ জরিমানা হল হেটমেয়ারদের।

আরও পড়ুন: ‘ক্রিকেটের রোনাল্ডো’, কোহলিকে দরাজ সার্টিফিকেট লারার

টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ ১-২ ব্যবধানে হারতে হলেও ওয়ান ডে সিরিজের শুরুতেই জয় তুলে নিল ক্যারিবিয়ানরা। চেন্নাইয়ে ভারতকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করল কায়রন পোলার্ডরা। সৌজন্যে, হেটমায়ার ও শাই হোপের জোড়া শতরান। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ২৮৭ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৭.৫ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ২৯১ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.