লন্ডন: এক ভিন্ন আবহে টেস্ট সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডের মাটিতে পা রাখল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। করোনা পরবর্তী সময় ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ দিয়েই ক্রিকেট ফিরছে বাইশ গজে। তাই এই সিরিজকে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ বললেও কোন অংশে ভুল বলা হয় না। সমস্ত নির্দেশিকা-সতর্কীকরণ মেনে তাই টেস্ট সিরিজ শুরুর এক মাস আগেই ইংল্যান্ড পৌঁছে গেল ক্যারিবিয়ানরা।

লকডাউন পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট চালু করা নিয়ে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড যখন বিস্তর সংশয়ে। ঠিক সে সময় অনিশ্চয়তার মধ্যেই বায়ো-সিকিওর পরিবেশে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেয় ইসিবি। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ইতিবাচক সহযোগীতায় ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়েই শুরু হতে চলেছে লকডাউন পরবর্তী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।

১৪ জনের টেস্ট স্কোয়াড ছাড়াও অতিরিক্ত ১১ জন রিজার্ভ ক্রিকেটারকে নিয়ে মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের মাটি ছুঁল ক্যারিবিয়ানদের বিমান। যেহেতু বায়ো-সিকিওর পরিবেশে হবে খেলা তাই স্বাভাবিকভাবেই বাইরের কারও সংস্পর্শে আসতে পারবেন না ক্রিকেটাররা। সুতরাং আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নেট বোলার থেকে শুরু করে রিজার্ভ ক্রিকেটারদেরও দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড পাঠিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।

সোমবার রাতে অ্যান্টিগা থেকে চাটার্ড বিমানে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। মঙ্গলবার সকালে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছয় তাঁরা। ম্যাঞ্চেস্টারে গোটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে তিন সপ্তাহের জন্য। যদিও কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড চলাকালীন অনুশীলন করার ক্ষেত্রে কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা নেই তাঁদের। তিন সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুশীলন সারবে জেসন হোল্ডার অ্যান্ড কোম্পানি।

৮ জুলাই সাউদাম্পটনের অ্যাজিয়াস বোলে সিরিজের প্রথম টেস্টে সফরকারী ক্যারিবিয়ানদের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ১৬ ও ২৪ জুলাই থেকে যথাক্রমে সিরিজের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় টেস্ট দু’টি অনুষ্ঠিত হবে ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.