তিরুঅনন্তপুরম: হায়দরাবাদের ব্যাটিং সহায়ক পিচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ম্যাচে ২০ ওভারে ২০৭ রান তুলেছিল৷ গ্রিনফিল্ডের পিচও ব্যাটিং অনুকূল ছিল৷ সুতরাং ক্যারিবিয়ানদের সামনে ১৭১ রানের টার্গেট পর্যাপ্ত ছিল বলা ঠিক হবে না৷ তবে চ্যালেঞ্জিং ছিল সন্দেহ নেই৷ চ্যালেঞ্জটা যথাযথ গ্রহণ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ তিরুঅনন্তপুরমে ভারতের গড়ে তোলা ইনিংস অনায়াসে টপকে যায় তারা৷

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান তোলে৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৮.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়৷ দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায় ক্যারিবিয়ানরা৷ ফলে মুম্বইয়ে সিরিজের তৃতীয় টি-২০ ম্যাচ কার্যত ফাইনালের রূপ নেয়৷

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর হচ্ছেন স্মিথই

ভারতের হয়ে ম্যাচে অনবদ্য ব্যাটিং করেন নবাগত অল-রাউন্ডার শিবম দুবে৷ তাঁকে তিন নম্বরে ব্যাট করতে পাঠায় টিম ম্যানেজমেন্ট৷ দুবে ৩০ বলে ৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন৷ তিনি ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন৷ ঋষভ পন্ত ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্য ২২ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন৷

এছাড়া রোহিত শর্মা ১৫, লোকেশ রাহুল ১১, বিরাট কোহলি ১৯, শ্রেয়স আইয়ার ১০, রবীন্দ্র জাদেজা ৯ ও ওয়াশিংটন সুন্দর ০ রান করে আউট হন৷ দীপক চাহার ১ রানে অপরাজিত থাকেন৷ উইলিয়ামস ও ওয়ালস ২টি করে উইকেট নেন৷ ১টি করে উইকেট দখল করেন কটরেল, পিয়ের ও হোল্ডার৷

আরও পড়ুন: কোহলির ইনিংসের প্রশংসায় নিজের ছবির ডায়লগ ধার করলেন বিগ-বি

পালটা ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৬৭ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন লেন্ডল সিমন্স৷ ৪৫ বলের অপরাজিত ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন৷ এভিন লুইস আউট হন ৩৫ বলে ৪০ রান করে৷ তিনি ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন৷ সিমরন হেটমায়ার ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন৷ নিকোলাস পুরান অপরাজিত থাকেন ১৮ বলে ৩৮ রান করে৷ তিনি ৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷

ভারতের হয়ে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও রবীন্দ্র জাদেজা৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন সিমন্স৷ ম্যাচের বিরাট কোহলি দুরন্ত একটি ক্যাচ নিলেও একটি করে ক্যাচ ছেড়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর, ঋষভ পন্ত ও শ্রেয়স আইয়ার৷ ওয়াশিংটনের হাত থেকে জীবন দান পেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিকে জয় এনে দেন সিমন্স৷