স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভুয়ো খবরের পর্দাফাঁস করল রাজ্য পুলিশ। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার যে খবর সামনে আসছে, সেই আগুনে ঘি ঢালতে বাংলাদেশের ভিডিও এরাজ্যের বলে প্রচার করা হয়েছে৷ শনিবার টুইট করে এমনই দাবি করল রাজ্য পুলিশ৷

জানা গিয়েছে, ২৭ এপ্রিলের ভিডিয়োটি  বাংলাদেশের সিলেটের এক বাসিন্দার৷  ভিডিয়োটিকে ভোলার দৌলতখানের ঘটনা বলে দাবি করেন রহমত। তিনি জানান, মুসলিম যুবকের সঙ্গে হিন্দু তরুণীর বিয়ে ঘিরে অশান্তির ভিডিও সেটি। ৬মে ওই একই ভিডিয়ো মাহি বৈষ্ণব নামে একটি অ্যাকাউন্ট খেকে পোস্ট করা হয়। তাতে বলা হয়, বাংলায় দিনের আলোয় ১৫-২০ জন গুন্ডা মিলে এক তরুণীকে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধর্ষণ এবং পরে খুন করে।

ভুয়ো খবর এবং ভিডিও ছড়িয়ে ভোট পরবর্তী বাংলায় অশান্তিতে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে বলে শনিবারই বিধানসভায় অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  বাংলা নিয়ে যা ভিডিও পোস্ট হয়েছে, তার ৯৯% ফেক বলে দাবি করেছেন তিনি। তার পরই সিআইডি-র তরফে জানানো হয়, ভুয়ো খবর নিয়ে এ বার গ্রেফতারি শুরু করবে তারা।

আরও পড়ুন: কোভিড আক্রান্ত প্রবীর-সাহিল, এএফসি কাপের আগে বাগান আরও ভাঙাচোরা

ইতিমধ্যেই নির্বাচন পরবর্তী ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ও ছবি পোস্ট করার জন্য সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে দুই ব্যক্তি। ধৃতরা অর্ঘ্য সাহা ও আকাশ মন্ডল বলে সিআইডি জানিয়েছে। দু’জনেই এলাকায় বিজেপি কর্মী বলে পরিচিত। এদের মধ্যে অর্ঘ্য সোনারপুরের বাসিন্দা এবং আকাশ দেগঙ্গার। শুক্রবার তাদের আদালতে পেশ করা হলে আদালত দু’জনকেই আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে এরা ওড়িশা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পুরনো সংঘর্ষের ঘটনাকে রাজ্যের ঘটনা বলে চালাচ্ছিল। বিশেষ করে একটি শিশুর ছবি পোস্ট করে তারা বোঝাতে চায় এ রাজ্যে শিশুরাও নিরাপদ নয়। অথচ তদন্তে দেখা গেছে ছবিটি  বাংলাদেশের একটি পুরোনো ঘটনার ছবি। গোটা বিষয়টি নজরে আসায় তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা দু’জনকে গ্রেফতার করেন। দু’জনের দাবি, এগুলো তারা নানা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় পেয়েছে, এবং ফরোয়ার্ড করেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, ফরোয়ার্ড নয়, এরা ছবি আপলোড করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.